Durand Cup: বিষ্ণুর হ্যাটট্রিক, সিআইএসএফকে ৮-০ গোলে পরাজিত করল ইস্টবেঙ্গল

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: মরসুমের প্রথম জয় পেল ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) সিনিয়র দল। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ সন্ধ্যায় কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের (…

east-bengal-beat-cisf-protectors-8-0-pv-vishnu-hat-trick-durand-cup-2026

সায়ন সেনগুপ্ত, কলকাতা: মরসুমের প্রথম জয় পেল ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal) সিনিয়র দল। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী আজ সন্ধ্যায় কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপের ( Durand Cup) দ্বিতীয় ম্যাচে নেমেছিল কলকাতা ময়দানের এই প্রধান। যেখানে তাঁদের প্রতিপক্ষ হিসেবে ছিল সিআইএসএফ প্রোটেক্টরস। সম্পূর্ণ সময়ের শেষে ৮-০ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় পেল আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের ছেলেরা। এদিন হ্যাটট্রিক করেন পিভি বিষ্ণু। এছাড়াও জোড়া গোল করেন জেসিন টিকে। সেইসাথে একটি করে গোল পান জিকসন সিং, বিপিন সিং এবং একটি আত্মঘাতী গোল করে বসেন মহম্মদ খালিদ।

Also Read | খালি পায়ে ইতিহাস, ১১৫ বছর পরেও অমর মোহনবাগান দিবসের গৌরব

Advertisements

ডার্বি ম্যাচের পর এদিন দলের এই জয় নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে সকল ফুটবলারদের। বলাবাহুল্য, গত কয়েকদিন আগে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে পরাজিত হওয়ার পর টুর্নামেন্টে টিকে থাকতে গেলে বড় ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় দরকার ছিল মশাল ব্রিগেডের। সেই মতোই এদিন দল সাজিয়েছিলেন কোচ। তবে গোলরক্ষক হিসেবে দলের হয়ে এদিন প্রথম থেকেই শুরু করেছিলেন ফুর্বা লাচেনপা‌। এছাড়াও পরবর্তীতে মাঠে এসেছিলেন নাচোর মতো ফুটবলাররা। প্রথমার্ধে গোলের মুখ খুলতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। প্রতিপক্ষের পায়ের জঙ্গলে আটকে যেতে হচ্ছিল বারংবার। তবে ৩৮ মিনিটের মাথায় বহু প্রতীক্ষিত গোল তুলে নেয় ইস্টবেঙ্গল। অনবদ্য গোল করে যান পিভি বিষ্ণু।

Also Read | ২০০০ কোটি ডলারের হাতছানি! বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনায় বিতর্কে FIFA

জেসিন টিকে, এডমন্ড, এবং বিষ্ণুর অনবদ্য ফুটবলের সাক্ষী থাকে সমর্থকরা। ১-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর থেকেই যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে দলের ফুটবলাররা। তারপর ৪২ মিনিটের মাথায় আত্মঘাতী গোল করে খালিদ। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময় ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন জিকসন সিং। প্রথমার্ধের শেষে ৩-০ গোলের ব্যবধানে এগিয়ে ছিল মশাল ব্রিগেড। তবে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই আরও আগুন তেজে ধরা দেয় ময়দানের এই প্রধান। প্রথম মিনিটেই নিজের দ্বিতীয় গোল তুলে নেন বিষ্ণু। তারপর ৬৪ মিনিটে বিপিন সিংয়ের অনবদ্য গোল। এছাড়াও প্রথম থেকেই গুগলের একাধিক সুযোগ পাচ্ছিলেন জেসিন টিকে।

কিন্তু সুযোগ হাতছাড়া হচ্ছিল বারংবার। ৭০ মিনিটের পর মিনিট তিনেক এর ব্যবধানে জোড়া গোল করে যান রিজার্ভ দলের এই ফুটবলার। তারপর ৭৬ মিনিটে প্রতিপক্ষের কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে যান বিষ্ণু। এদিন ইস্টবেঙ্গল এক ডজন গোলে জয় পেলেও খুব একটা অবাক হওয়ার কিছুই ছিল না। ম্যাচ জুড়ে একাধিক সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে হয়তো আরো অনেকটাই বাড়তো জয়ের ব্যবধান।