ভোট পরবর্তী অশান্তি ইস্যুতে হস্তক্ষেপ নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ন্ত্রণে পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না—এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ‘সনাতন সংস্থা’ নামে একটি সংগঠনের তরফে এই বিষয়ে জনস্বার্থ ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Supreme Court hearing on pending DA in West Bengal

ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ন্ত্রণে পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না—এই গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ‘সনাতন সংস্থা’ নামে একটি সংগঠনের তরফে এই বিষয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়েছিল। সোমবার সেই মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি এবং বিচারপতি সূর্য কান্তর ডিভিশন বেঞ্চে।

শুনানিতে মামলাকারীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, ভোট-পরবর্তী সময়ে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির ঘটনা ঘটছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা প্রয়োজন। তাঁদের মতে, রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সহজ হবে।

   

তবে সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ না করার সিদ্ধান্ত নেয়। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না, সেই বিষয়ে শীর্ষ আদালত কোনও নির্দেশ দেবে না। বিচারপতিরা পর্যবেক্ষণে জানান, এই ধরনের বিষয় মূলত প্রশাসনিক ও রাজ্য সরকারের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আওতায় পড়ে।

শুনানির সময় আদালত আরও উল্লেখ করে যে, এ ধরনের অভিযোগ বা আবেদন প্রথমে সংশ্লিষ্ট হাইকোর্টে উপস্থাপন করা উচিত। সেই প্রেক্ষিতে বিচারপতিরা মামলাকারীকে কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করার পরামর্শ দেন। তাঁদের মতে, হাইকোর্টই এই ধরনের রাজ্য-ভিত্তিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বেশি কার্যকরভাবে শুনানি করতে পারে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন সংক্রান্ত দাবি আপাতত সুপ্রিম কোর্টের স্তরে এগোলো না। মামলাকারী সংগঠনের দাবি ছিল, রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘর্ষ ও অশান্তি জনজীবনে প্রভাব ফেলছে, তাই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন জরুরি। কিন্তু আদালত সেই দাবিকে সরাসরি গ্রহণ করেনি।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google