বাগদাদে আমেরিকার কূটনৈতিক কেন্দ্রে হামলা, হতাহতের খবর এখনও অধরা

ইরাকের রাজধানী বাগদাদ আর সেখানেই ইতিমধ্যে হামলা চালাল ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী। একটি আমেরিকান কূটনৈতিক কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী। হামলার পর ভয়াবহ আগুন জ্বলে ওঠে ওই ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

ইরাকের রাজধানী বাগদাদ আর সেখানেই ইতিমধ্যে হামলা চালাল ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী। একটি আমেরিকান কূটনৈতিক কেন্দ্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী। হামলার পর ভয়াবহ আগুন জ্বলে ওঠে ওই ঘাঁটিতে। এই ঘটনায় হতাহতের খবর এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, ওই কেন্দ্রে মার্কিন সেনাকর্মীরা থাকতেন। তাঁরা হামলার সময় কেউ ভিতরে আটকে পড়েছিলেন কি না, জানা যায়নি।

ইরাকের ইরান সমর্থিত গোষ্ঠী আশাব আল-কাহ্ফ মার্কিন কূটনৈতিক কেন্দ্রে হামলার দায় স্বীকার করেছে। যেখানে হামলা হয়েছে, তা বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছেই। ফলে বিমান পরিষেবাও সাময়িক ভাবে ব্যাহত হয় বলে দাবি কিছু রিপোর্টে।

   

সমাজমাধ্যমে এই ঘটনার একাধিক ছবি এবং ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যায়, রাতের অন্ধকারে দাউদাউ করে জ্বলছে ওই মার্কিন ঘাঁটি। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে চারিদিক। তবে সেই ছবি বা ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করা হয়নি আমাদের পক্ষ থেকে। একটি সংবাদসংস্থা এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।

বাগদাদ-সহ পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন ঘাঁটিগুলির উপর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে বলে দাবি করেছিল স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলি। বাগদাদে তা কাজ করছিল কি না, কেন ব্যর্থ হল স্পষ্ট নয়। আমেরিকার তরফেও কোনও মন্তব্য আসেনি। এখনও পর্যন্ত পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে সরকারি হিসাবে প্রাণ হারিয়েছেন ১৩ জন মার্কিন নাগরিক।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা ও ইজ়রায়েলের যৌথ বাহিনী ইরান আক্রমণ করে। তাতে মৃত্যু হয় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের। এর পর তেহরানের কুর্সিতে বসেছেন তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেই।

যৌথ বাহিনীর হামলার পরেই পশ্চিম এশিয়ার মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে নিশানা করা শুরু করেছিল ইরান। সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ওমান, কাতার, কুয়েত, বাহরিন এবং ইরাকের মতো দেশে একাধিক ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। যদিও ইরানি আক্রমণ সবচেয়ে বেশি হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google