বিধানসভা নির্বাচনের শেষ দফার আগে বাংলার রাজনৈতিক (Narendra Modi) ময়দান এখন উত্তেজনার চরমে। এই আবহে উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে বিজয় সংকল্প সভায় যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শেষ পর্যায়ের প্রচারে বিজেপির ‘কার্পেট বম্বিং’ কৌশলের অংশ হিসেবেই এই সভাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সভা শুধু একটি প্রচার কর্মসূচি নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ ভোটব্যাঙ্কের উদ্দেশে সরাসরি বার্তা পৌঁছে দেওয়ার মঞ্চ।
Read More: হাওড়ায় বিজেপি তৃণমূল সংঘর্ষে শুরু লাঠিচার্জ
ঠাকুরনগর দীর্ঘদিন ধরেই মতুয়া সম্প্রদায়ের (Narendra Modi) প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ফলে এই এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর সভা ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) এবং সাম্প্রতিক SIR ইস্যুর প্রেক্ষিতে মতুয়া ভোটারদের মন জয় করাই যে বিজেপির অন্যতম লক্ষ্য, তা স্পষ্ট। তাই এই সভায় প্রধানমন্ত্রী মতুয়াদের উদ্দেশে কী বার্তা দেন, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। রবিবার সকাল থেকেই ঠাকুরনগর চত্বর ভরে ওঠে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ে। সভাস্থলের আশপাশে দেখা যায় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। বহু কর্মী রাম, সীতা ও হনুমানের সাজে মিছিল করেন, যা প্রচারে এক আলাদা মাত্রা যোগ করে। ধর্মীয় প্রতীক ও সাংস্কৃতিক আবহকে সামনে রেখে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর এই প্রয়াস যে সুপরিকল্পিত, তা বলাই বাহুল্য।
Read More: দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৃণমূল সন্ত্রাস রুখতে বড় পদক্ষেপ আগরওয়ালের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্যে একদিকে যেমন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শোনা যেতে পারে, তেমনই অন্যদিকে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কথাও উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় প্রকল্প যেমন আবাস যোজনা, উজ্জ্বলা যোজনা, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর উন্নয়ন এই সব বিষয় তুলে ধরে ভোটারদের কাছে নিজেদের সাফল্য তুলে ধরার চেষ্টা করবে বিজেপি।(Narendra Modi) বিশেষ করে মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবি নাগরিকত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তার অবসান। বিজেপি এই ইস্যুকে সামনে রেখেই তাদের প্রচার জোরদার করেছে। ফলে মোদীর বক্তৃতায় এই প্রসঙ্গের উল্লেখ থাকাটাই স্বাভাবিক। তিনি যদি এই বিষয়ে স্পষ্ট আশ্বাস দেন, তাহলে তা ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
Read More: পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য অভিনেতা দিগন্ত তৃণমূলের মঞ্চে কেন! প্রশ্ন শুভেন্দুর
এছাড়াও, এই সভার মাধ্যমে বিজেপি একটি বড় বার্তা দিতে চাইছে—শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তারা প্রচারের লড়াইয়ে পুরো শক্তি দিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছে। একের পর এক সভা, রোড শো এবং জনসংযোগ কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে। ঠাকুরনগরের এই সভা সেই ধারাবাহিকতারই অংশ।




















