জগদ্দলের সভা থেকে পরিবর্তনের ডাক মোদীর

Narendra Modi জগদ্দলের সভা থেকে পরিবর্তনের ডাক দিলেন। উন্নয়ন, দুর্নীতি ও কর্মসংস্থান ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ।

By Suparna Parui

Published:

Updated:

Follow Us
Parliament in Disarray as PM Modi's Speech Is Cancelled Just Before Start

বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) আবহে বাংলার রাজনৈতিক ময়দান ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। এই পরিস্থিতিতে জগদ্দলের জনসভা থেকে পরিবর্তনের পক্ষে জোরালো স্লোগান তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট, আসন্ন ভোটকে সামনে রেখে বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তন চাইছে এবং সেই লক্ষ্যেই প্রচারে সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে।

চৌরঙ্গীর ভোট প্রচারে মমতার ‘চামার’ মন্তব্যে উস্কাল বিতর্ক

জগদ্দলের সভায় উপস্থিত বিপুল জনসমাগমের সামনে মোদী তাঁর ভাষণে রাজ্যের বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একই সরকার থাকায় উন্নয়নের গতি বাধাগ্রস্ত হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ নানা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তাই তিনি ভোটারদের উদ্দেশে আহ্বান জানান, এবার পরিবর্তনের পথে হাঁটার সময় এসেছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে উন্নয়ন ছিল অন্যতম প্রধান ইস্যু। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের অন্যান্য রাজ্যে উন্নয়নের যে গতি এনেছে, তা বাংলাতেও সম্ভব। তবে তার জন্য প্রয়োজন একটি “ডাবল ইঞ্জিন” সরকার, যেখানে কেন্দ্র ও রাজ্য একই দলের হাতে থাকলে উন্নয়ন দ্রুততর হয়। এই যুক্তি তুলে ধরে তিনি ভোটারদের সমর্থন চান।

   

‘ঝুঁঠা হ্যায় তেরা ওয়াদা!’ শাহের কাছে রোহিঙ্গা তালিকা চাইছেন সাগরিকা

মোদী তাঁর ভাষণে দুর্নীতি, আইন-শৃঙ্খলা এবং কর্মসংস্থানের বিষয়ও তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে বিনিয়োগের পরিবেশ যথেষ্ট অনুকূল নয়, যার ফলে শিল্পের বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে। যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হলে নতুন নীতির প্রয়োজন বলে তিনি মত প্রকাশ করেন। এই প্রসঙ্গেই তিনি পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেন।

দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের আগেই হরগোবিন্দ-চন্দন দাস হত্যাকাণ্ডে ফাঁস তৃণমূল দুর্নীতি

সভায় উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মোদীর বক্তব্যে যথেষ্ট উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। ‘পরিবর্তন চাই’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে সভাস্থল। দলীয় পতাকা, ব্যানার এবং স্লোগানে ভরে ওঠে গোটা এলাকা। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ধরনের জনসভা শুধুমাত্র ভোটারদের প্রভাবিত করার জন্য নয়, বরং দলীয় কর্মীদের মনোবলও বাড়িয়ে দেয়।

অন্যদিকে, বিরোধী শিবির মোদীর এই বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে। তাদের দাবি, এই ধরনের প্রচার কেবলমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে তার অনেকটাই অমিল রয়েছে। তারা পাল্টা দাবি করছে, রাজ্যে ইতিমধ্যেই বহু উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ তার সুফল পাচ্ছেন।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google