মধ্যরাতে প্রকাশিত ট্রাইবুনালের সাপ্লিমেন্টারি তালিকাকে (Voter List Tribunal Case) কেন্দ্র করে নতুন করে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়ে। অভিযোগ উঠেছে, এই তালিকায় ব্যাপক সংখ্যক আবেদনকারীর নাম বাদ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে তাঁদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্ট-এ একটি জনস্বার্থ মামলা (পিআইএল) দায়ের হয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোটের ঠিক আগে প্রকাশিত এই তালিকায় মাত্র ১৩৬ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অথচ, বহু আবেদনকারী দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের নাম অন্তর্ভুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন। হঠাৎ করে এত বড় সংখ্যক নাম বাদ(Voter List Tribunal Case) পড়ায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। অনেকেই দাবি করছেন, এই তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া স্বচ্ছ নয় এবং যথাযথ নিয়ম মানা হয়নি।
এই পরিস্থিতিতে (Voter List Tribunal Case) বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে বিচারপতি ঝুমা সেন তা প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, বিচারপতি ঝুমা সেন উদ্বেগ প্রকাশ করে জানতে চান, যাঁদের নাম তালিকায় নেই, তাঁদের ভবিষ্যৎ কী হবে। বিশেষ করে ভোটের মুখে এমন একটি সিদ্ধান্ত বহু মানুষের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন তিনি।
এই মামলাটি এখন প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে শুনানির জন্য নির্ধারিত হয়েছে। আজই এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আইনজীবী মহলের মতে, আদালত চাইলে তালিকা তৈরির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে পারে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে নির্দেশ দিতে পারে। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, যাঁদের নাম বাদ পড়েছে তাঁদের অনেকেই সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়েছিলেন এবং নির্ধারিত নিয়ম মেনেই আবেদন করেছিলেন। তা সত্ত্বেও তাঁদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় না থাকায় তাঁরা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। এই পরিস্থিতিতে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হয়ে ন্যায়বিচার চাইছেন। অন্যদিকে, প্রশাসনের তরফে এখনও এই অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দাবি করতে পারে যে তালিকা তৈরির ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম ও যাচাই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। তবুও এত সংখ্যক আবেদনকারীর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।




















