শেষ কয়েক মরসুম ধরে একেবারেই ছন্দে নেই কেরালা ব্লাস্টার্স (Kerala Blasters)। একের পর এক টুর্নামেন্টে ভালো পারফরম্যান্স করার পরিকল্পনা থাকলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ঐতিহ্যবাহী ডুরান্ড কাপ থেকে শুরু করে সুপার কাপ হোক কিংবা আইএসএল। পরিস্থিতি থেকেছে সেই তথৈবচ। যারফলে ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেছিল সমর্থকদের একটা বিরাট অংশ। এই পরিস্থিতিতে বদল করা হয়েছে কোচ। মিকেল স্ট্যাহরে থেকে শুরু করে গত সিজনের শেষের দিকে ডেভিড কাতলার হাতে দলের দায়িত্ব দিয়েছিল দক্ষিণের এই শক্তিশালী ক্লাব। কিন্তু খুব একটা সুবিধা করা সম্ভব হয়নি।
গতবার সুপার কাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের কাছে পরাজিত হয়ে ছিটকে যেতে হয়েছিল টুর্নামেন্ট থেকে। তারপর এবারের এই সিজনে একের পর এক কাপ টুর্নামেন্টে লড়াই করে ও চূড়ান্ত সাফল্য আসেনি। এমনকি দেশের প্রথম ডিভিশন ফুটবল লিগ তথা আইএসএলে ও পয়েন্ট নষ্ট করতে হয়েছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে। পরাজিত হতে হয়েছে টানা চারটি ম্যাচে। এই পরিস্থিতিতে ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে এক পয়েন্ট ঘরে তুলতে দল সক্ষম হলেও সেটা বজায় থাকেনি পাঞ্জাব এফসির বিরুদ্ধে। যার দরুন কোচ বদলের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয় ম্যানেজমেন্ট।
দায়িত্ব দেওয়া হয় ব্রিটিশ কোচ অ্যাশলি ওয়েস্টউডের হাতে। বেঙ্গালুরু এফসিকে সাফল্য প্রদানকারী এই প্রাক্তন কোচের উপরেই এবার ভরসা রেখেছে দক্ষিণের এই দল। তাঁর আগমনের পরেই এবারের এই ন্যাশনাল উইন্ডোর মধ্যে বড়সড় চমক দিল কেরালা ব্লাস্টার্স। এবার মরোক্কোর এই দাপুটে মিডফিল্ডারকে দলে টানল দেশের প্রথম ডিভিশনের এই ক্লাব। তিনি করিম বেনরিফ। বছর তিরিশের এই সেন্ট্রাল মিডফিল্ডারকে এনে মাঝমাঠের দখল নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে ওয়েস্টউডের। বলাবাহুল্য, শুধুমাত্র আফ্রিকান লিগ নয়। মধ্য প্রাচ্যের একাধিক ফুটবল দলের হয়ে খেলেছেন এই তারকা।
যার মধ্যে অন্যতম আল নাজাফ। তবে ভারতীয় ফুটবল সার্কিটে নিজেকে আদৌও কতটা মানিয়ে নিতে পারেন এখন সেটাই দেখার।




















