Iraq: ধর্মীয় গোষ্ঠী লড়াইয়ে ইরাকে মৃত ২০, রক্তাক্ত বাগদাদ

ধর্মীয় গোষ্ঠীবাজির সংঘর্ষে উত্তপ্ত ইরাকের (Iraq) রাজধানী বাগদাদ। বিবিসির খবর, শিয়া সম্প্রদায়ের মৌলবী মোকতাদা -আল সাদার রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন৷ এর পরে সমস্ত সরকারি জায়গায় হামলার ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

ধর্মীয় গোষ্ঠীবাজির সংঘর্ষে উত্তপ্ত ইরাকের (Iraq) রাজধানী বাগদাদ। বিবিসির খবর, শিয়া সম্প্রদায়ের মৌলবী মোকতাদা -আল সাদার রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন৷ এর পরে সমস্ত সরকারি জায়গায় হামলার নির্দেশ দেন তিনি। এর পরেই সংঘর্ষ ছড়ায়। এই ঘটনার জেরে ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবারও উত্তপ্ত পরিস্থিতি।

সাদারের রাজনৈতিক অবসরের কথা ছড়িয়ে পড়তেই পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়৷ সোমবার সন্ধ্যা নামতেই সরকারি আবাসন এবং দূতাবাসগুলিকে লক্ষ্য করে চলে হামলা। গত কয়েক বছরে রাজধানী বাগদাদে এধরনের ঘটনা ব্যাপকভাবে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। মুড়ি মুড়কির মতো বোমাবাজি এবং গুলি চলতে থাকে। সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে অন্যান্য শিয়া নেতাদের ব্যর্থতার কারণে এই হামলা বলে পাল্টা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। যদিও সাদার জানিয়েছে এই হামলার ঘটনার প্রতিবাদে অনশনে বসবেন তিনি।

   

গৃহযুদ্ধ, স্থানীয় দুর্নীতি, যুদ্ধ, একাধিক নিষেধাজ্ঞা সহ একাধিক বিষয় নিয়ে সাদারের সঙ্গে অন্যান্য শিয়া সম্প্রদায়ের নেতাদের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। একাধিক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছিল ইরাক। অভিযোগ, ইরান সমর্থিত বেশ কিছু নেতাদের গোষ্ঠী ইরাকে দ্বন্দ্ব তৈরি করতে চায়।

বিবিসির খবর,গত বছর অক্টোবর মাসে নির্বাচনে জয়লাভ করেন মোকতাদা আল সাদার। ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীগুলিকে ছাড়াই সরকার গঠন করতে চেয়েছিলেন সাদার। রাজনীতি থেকে সরে গিয়ে রাজনৈতিকভাবে সরকারি আবাসনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে চেয়েছিল সাদার। কিন্তু সোমবার পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়।

জানা গিয়েছে, সাদারের শান্তি বাহিনীর সঙ্গে ইরাকের নিরাপত্তা বাহিনীর লড়াই চলে৷ পরে ইরান সমর্থিত দলগুলি যুক্ত হয়। ফলে পরিস্থিতি একেবারে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে৷ তবে কার সঙ্গে কার লড়াই হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট করে জানা যায়নি। ঘটনায় ২০ জনের মৃত্যু হয়৷

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google