রাজ্যে ১০ লক্ষ সরকারি চাকরি দিয়ে মাইলফলক যোগী সরকারের

yogi-government-10-lakh-government-jobs-up

লখনউ: উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন সরকার এক বড় মাইলফলক ছুঁতে চলেছে। (Yogi government)আসন্ন ১.৫ লক্ষ নতুন নিয়োগের মাধ্যমে রাজ্যে সরকারি চাকরির সংখ্যা ১০ লক্ষের ঘরে পৌঁছে যাবে। গত নয় বছরে ইতিমধ্যেই প্রায় ৯ লক্ষ যুবক-যুবতী সরকারি চাকরিতে সুযোগ পেয়েছেন। এই সাফল্যকে রাজ্য সরকার যুবশক্তির উন্নয়ন ও বেকারত্ব হ্রাসের এক বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।

সরকারি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরে পুলিশ, রাজস্ব, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য বিভাগে সবচেয়ে বেশি শূন্যপদ রয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ বিভাগে হাজার হাজার কনস্টেবল ও সাব-ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। শিক্ষা বিভাগে শিক্ষক ও অশিক্ষক কর্মী, স্বাস্থ্য বিভাগে নার্স, অ্যাম্বুলেন্স কর্মী ও চিকিৎসক এবং রাজস্ব বিভাগে লেখক, অফিসারসহ বিভিন্ন পদে বড় আকারের নিয়োগ হবে।

   

আরও দেখুনঃ শপথমঞ্চে দুর্গামূর্তি-সিঁদুরখেলা, পাতে ঝালমুড়ি-রসগোল্লা! শনিবাসরীয় ব্রিগেডে আর কী চমক থাকছে?

এসব শূন্যপদ পূরণের মাধ্যমে রাজ্যের প্রশাসনিক দক্ষতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।গত নয় বছরে যোগী সরকারের নিয়োগ নীতি বেশ প্রশংসিত হয়েছে। আগের সরকারের আমলে যেখানে চাকরির সুযোগ সীমিত ছিল এবং কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠত, সেখানে বর্তমান সরকার স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিয়েছে। অনলাইন আবেদন, পরীক্ষার সময়সূচি মেনে চলা এবং দ্রুত ফলাফল প্রকাশের কারণে লক্ষ লক্ষ প্রার্থী উপকৃত হয়েছেন।

অনেকে বলছেন, এই সময়ে সরকারি চাকরি পাওয়া শুধু আর্থিক স্থিতিশীলতাই দেয়নি, বরং যুবকদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে।রাজ্যের কর্মী নিয়োগ কমিশন ও বিভিন্ন বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ এখন সক্রিয়ভাবে প্রক্রিয়া এগিয়ে নিচ্ছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে বেশ কয়েকটি বড় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড প্রমোশন বোর্ড এবং শিক্ষা সেবা নির্বাচন কমিশনের অধীনে আসন্ন নিয়োগগুলো লক্ষ লক্ষ প্রার্থীর জন্য সুযোগ তৈরি করবে।

চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এখনই সবচেয়ে উপযুক্ত সময় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আগামী বছর নির্বাচনী বছর হওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতি পাবে। যারা নিয়মিত প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের উদ্দেশে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এখনই ফোকাস ধরে রাখুন। সিলেবাস অনুসারে পড়াশোনা, মক টেস্ট দেওয়া এবং শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখা জরুরি। বিশেষ করে পুলিশ ও শিক্ষক নিয়োগে প্রতিযোগিতা তীব্র হবে।

যোগী সরকারের এই উদ্যোগকে অনেকে ‘যুব উন্নয়নের স্বপ্ন’ বলে অভিহিত করছেন। রাজ্যের গ্রামীণ এলাকা থেকে শুরু করে শহরাঞ্চল সর্বত্র যুবকদের মধ্যে একটা ইতিবাচক আবেগ তৈরি হয়েছে। যারা আগে হতাশায় ভুগতেন, তারা এখন আশায় বুক বাঁধছেন। সরকারি চাকরির পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে বেসরকারি খাতেও কর্মসংস্থান বাড়ানোর চেষ্টা চলছে।