আরশোলার দৌরাত্বে কেন এত আগ্রহ? ডিপ স্টেটের বিদেশি অর্থায়নের টাকা পাওয়া শাবানার চক্রান্ত ফাঁস

নয়াদিল্লি: NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অজুহাতে রাজধানীতে দৌরাত্ম (Shabana Azmi)চলেছে ককরোচ জনতা পার্টির। পুলিশের সঙ্গে মুহুর্মুহু সংঘর্ষে কেঁপে উঠছে রাজধানীর রাজপথ। প্রথমে সোনম ওয়াংচুকের অনশন…

shabana-azmi-student-protest

নয়াদিল্লি: NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অজুহাতে রাজধানীতে দৌরাত্ম (Shabana Azmi)চলেছে ককরোচ জনতা পার্টির। পুলিশের সঙ্গে মুহুর্মুহু সংঘর্ষে কেঁপে উঠছে রাজধানীর রাজপথ। প্রথমে সোনম ওয়াংচুকের অনশন এবং তারপর অভিজিৎ দিপকের উস্কানিতে সরাসরি হিংসার পথ ধরেছে আরশোলা বাহিনী।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর ঘটনা বাংলাদেশের জামাত এ ইসলামী রীতিমত চিঠি লিখে এই প্রতিবাদকে সমর্থন করেছে। তারপর থেকেই কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক মহলে আলোচনা তবে কি এর পিছনে রয়েছে ISI র মত সংস্থা। এই তথাকথিত ছাত্র প্রতিবাদে জড়িয়ে পড়েছেন বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমিও।

Advertisements

আরও দেখুনঃ আরশোলাদের দৌরাত্বে সশরীরে যোগ দিলেন অরবিন্দ

তার এই আন্দোলন নিয়ে আগ্রহ প্রথম দিন থেকেই। কিন্তু কেন তার এত আগ্রহ। সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে দীর্ঘদন ধরেই ভারতে ব্রিটিশ খ্রিস্টান এনজিও ‘অ্যাকশনএইড’-এর চেয়ারপার্সন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। সংস্থাটি প্রতি বছর ৮৫ থেকে ১০০ কোটি টাকারও বেশি বিদেশি অনুদান পেয়ে থাকে বলে জানা গেছে। এই প্রেক্ষাপটে সামাজিক মাধ্যম ও জাতীয়তাবাদী মহলে নতুন করে বিতর্ক উস্কে উঠেছে।

অভিযোগ উঠেছে, মৌসুমি বৃষ্টির শুরুতে (২০ জুলাই) থেকে ‘ডিপ স্টেট’-এর একটি অংশ ভারতে অস্থিরতা সৃষ্টি করে শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এই অভিযোগে শাবানা আজমি ও অ্যাকশনএইডের নাম উঠে এসেছে।একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিদেশি অর্থায়নে পরিচালিত এনজিওগুলো ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট (এফসিআরএ)-এর নিয়মকানুন নিয়ে ক্ষুব্ধ।

তাই তারা নতুন করে ‘নোংরামি’ শুরু করেছে বলে অভিযোগ। অভিযোগকারীরা মনে করেন, এই ধরনের কার্যকলাপ ভারতকে পুরোপুরি অরাজকতার দিকে ঠেলে দিতে পারে। বিশেষ করে শাবানা আজমির মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যুক্ত এনজিওর বিদেশি তহবিল নিয়ে প্রশ্ন তুলে জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের ইস্যুকে বড় করে দেখা হচ্ছে।

আরও দেখুনঃ বৃষ্টিতে ধস পুঞ্চ-রাজৌরিতে! ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রেকর্ড সময়ে সাহায্য পৌঁছে নজির ভারতীয় সেনার

অ্যাকশনএইড ভারতে দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা, নারী অধিকারসহ বিভিন্ন সামাজিক কাজ করে থাকে। সংস্থাটির দাবি, তারা স্বচ্ছভাবে কাজ করে এবং সব আইন মেনে চলে। তবে সমালোচকরা বলছেন, বিদেশি তহবিলের উৎস ও ব্যবহার নিয়ে আরও স্বচ্ছতা প্রয়োজন। এফসিআরএ আইনের অধীনে অনেক এনজিওর লাইসেন্স বাতিল বা স্থগিত করা হয়েছে সরকারের তরফে। এর পেছনে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার যুক্তি দেওয়া হয়।

কেউ কেউ মনে করেন, এই আইনকে দুর্বল করার চেষ্টা চলছে। শাবানা আজমি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তিনি বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের সমালোচনা করে আসছেন। তাঁর এই ভূমিকাকে কেউ প্রশংসা করলেও, অনেক জাতীয়তাবাদী কর্মী তাঁকে ‘বিদেশি এজেন্ডা’ বাস্তবায়নের অংশ বলে অভিহিত করছেন।

আরও দেখুনঃ রাহুল-প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে আলোচনায় মোদীর বাসভবনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং

ঠিক এই আবহেই দিল্লির রাস্তায় তথাকথিত এই ছাত্র আন্দোলন এবং তাতে আগ্রহের সঙ্গে জড়িয়ে পড়া শাবানার ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। প্রশ্ন উঠছে তবে কি শাবানার মত ব্যাক্তিত্বরা মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে বিদেশি অর্থের জোরে দেশের সার্বভৌমত্বকে নষ্ট করার চেষ্টা করছে।