নয়াদিল্লি: দিল্লিতে চলমান ককরোচ জনতা পার্টির ছাত্র-যুব আন্দোলনে নয়া মোড়। (Arvind Kejriwal)আম আদমি পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েছেন। প্রথমে ছাত্রদের জন্য হেল্পলাইন চালু করার ঘোষণা করেন তিনি। তারপর আরএমএল হাসপাতালে আহত প্রতিবাদকারীদের দেখতে যাওয়া, মন্দির মার্গ পুলিশ স্টেশনে আটক ছাত্রদের মুক্তির দাবি এবং এখন যন্তরমন্তরের দিকে রওনা কেজরিওয়ালের এই একের পর এক পদক্ষেপ আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
দিল্লির রাজপথে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।কেজরিওয়াল প্রথমে একটি হেল্পলাইন নম্বর ঘোষণা করেন। ছাত্র ও যুবকরা যাতে কোনো সমস্যায় পড়লে তাৎক্ষণিক সাহায্য পান, সেজন্য এই ব্যবস্থা করা হয়। তিনি বলেন, “ছাত্রদের কোনো অসুবিধা হলে আমরা পাশে আছি। এই হেল্পলাইন ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে।” এরপর তিনি রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে গিয়ে আহত প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে দেখা করেন।
আরও দেখুনঃ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল গান্ধীকে আটক করল পুলিশ
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রদের খোঁজখবর নেন এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। কেজরিওয়াল বলেন, “পুলিশের অত্যাচারে ছাত্ররা আহত হয়েছে। এটা খুবই দুঃখজনক। সরকারকে এর জবাব দিতে হবে।”এরপর তিনি মন্দির মার্গ পুলিশ স্টেশনে যান। সেখানে আটক ছাত্রদের মুক্তির দাবি জানান। পুলিশের সঙ্গে কথা বলে তিনি বলেন, “ছাত্ররা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছিল। তাদের আটক করে রাখা অন্যায়।
অবিলম্বে তাদের ছেড়ে দিন।” পুলিশ অবশ্য এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। কেজরিওয়ালের এই পদক্ষেপ আন্দোলনকারীদের মধ্যে নতুন উৎসাহ সঞ্চার করেছে।বর্তমানে তিনি জন্তর মন্তরের দিকে যাচ্ছেন। সেখানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে যোগ দিয়ে আরও বড় সমাবেশের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আরও দেখুনঃ বৃষ্টিতে ধস পুঞ্চ-রাজৌরিতে! ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রেকর্ড সময়ে সাহায্য পৌঁছে নজির ভারতীয় সেনার
কেজরিওয়ালের ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, তিনি দিল্লির রাজপথে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আন্দোলনকে সংগঠিত করতে চাইছেন। ২০১১-১২ সালের অন্না হজারের আন্দোলন থেকে শুরু করে নিজের রাজনৈতিক জীবনে তিনি বারবার রাস্তার আন্দোলনের সফলতা দেখিয়েছেন।আম আদমি পার্টির নেতারা বলছেন, কেজরিওয়ালের এই অংশগ্রহণ শুধু রাজনৈতিক নয়, ছাত্রদের দাবির প্রতি সমর্থন।





