টাকার অভাবে নির্বাচনে না দাঁড়িয়েও মন্ত্রী নির্মলা!

টাকার অভাবে লোকসভা ভোটে দাঁড়াতে চাননি (Nirmala Sitharaman)। তবে আজ, রবিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিদায়ী অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আপাতত রাজ্যসভার সদস্য পদে রয়েছেন…

টাকার অভাবে লোকসভা ভোটে দাঁড়াতে চাননি (Nirmala Sitharaman)। তবে আজ, রবিবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিদায়ী অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। আপাতত রাজ্যসভার সদস্য পদে রয়েছেন নির্মলা। ফলে তাঁর মন্ত্রী হতে কোনও বাধা নেই। 

মার্চের শেষ সপ্তাহে নির্মলা জানান, ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) তাকে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য একটি টিকিট প্রস্তাব করেছে। তবে অর্থ সংকটের কারণে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। মন্ত্রী বলেছিলেন, বিজেপি প্রধান জেপি নাড্ডা তাঁকে অন্ধ্র প্রদেশ বা তামিলনাড়ু থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার বিকল্প দিয়েছিলেন।

   

নির্মলা সীতারমন কর্নাটক থেকে রাজ্যসভার সদস্য। টাইমস নাউ সামিটের সময়, তিনি বলেছিলেন, ‘এক সপ্তাহ বা ১০ দিন চিন্তা করার পরে, আমি কেবল বলতে ফিরে এসেছি… হয়তো না। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মতো এত টাকা আমার নেই।’

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই রেকর্ড গড়লেন নরেন্দ্র মোদী

তিনি আরও বলেন, ‘আমারও একটা সমস্যা আছে, সেটা অন্ধ্রপ্রদেশ হোক বা তামিলনাড়ু। এটি তাদের ব্যবহার করা বিভিন্ন বিজয়ী মানদণ্ডের একটি প্রশ্নও হবে…আপনি কি এই সম্প্রদায়ের নাকি আপনি সেই ধর্মের? তুমি কি এখান থেকে? আমি বললাম না, আমি এটা করতে পারব বলে মনে হয় না।’

অর্থমন্ত্রী সেই সময় বলেন, ‘আমি খুবই কৃতজ্ঞ যে তিনি আমার যুক্তি মেনে নিয়েছেন…তাই আমি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি না।’

জুটল না মন্ত্রিত্ব! বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ কি বিজেপি ছাড়ছেন?

যখন তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল যে কেন দেশের অর্থমন্ত্রীর কাছেও লোকসভা নির্বাচনে লড়ার মতো পর্যাপ্ত টাকা নেই। তারপর তিনি বলেছিলেন যে ভারতের একত্রিত তহবিল তার নয়। তিনি বলেছিলেন, ‘আমার বেতন, আমার উপার্জন, আমার সঞ্চয় আমার, ভারতের একত্রিত তহবিল নয়।’

এদিন সন্ধ্যা ৭টা ২২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন নরেন্দ্র মোদী। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান।উত্তর প্রদেশের বারাণসী কেন্দ্র থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই রেকর্ড গড়লেন নরেন্দ্র মোদী

জহরলাল নেহরু ছাড়া ভারতের আর কোনও প্রধানমন্ত্রীর টানা তিন বার শপথ নেওয়ার কৃতিত্ব নেই। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আট হাজারেরও বেশি অতিথি। এতদিন পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের সামনের ফাঁকা জায়গায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হত। তবে এবার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান হল ‘কর্তব্য পথ’-এ।

শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ৭ দেশের রাষ্ট্রপ্রধান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমসিঙ্ঘে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দহাল ওরফে প্রচণ্ড, মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মইজ্জু, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগয়াল ওয়াংচুক, মরিশাসের প্রধানমন্ত্রী প্রবীন্দ জুগনথ এবং পূর্ব আফ্রিকার দেশ সেশেলসের ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ আফিফ যোগ দেন শপথ অনুষ্ঠানে।

সোহমের ‘মারধর’ বিতর্কের পরই জনপ্রতিনিধিদের বার্তা অভিষেকের! কী লিখলেন?

এদিন সকালে রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান নরেন্দ্র মোদী। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং তাঁর সঙ্গে ছিলেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ীর সৌধ ‘সদৈব অটল’-এও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন মোদী।