প্রশ্নফাঁস চক্রকে রেয়াত নয়, সংসদে বিল পাশের পর রাতেই বড় বার্তা মোদীর

নয়াদিল্লি: পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) সংশোধনী বিল, ২০২৬ সংসদের দুই কক্ষেই পাস হওয়ার পরই দেশবাসীর উদ্দেশে বিশেষ ভিডিও বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী…

pm-modi-midnight-video-message-paper-leak-cabinet-meeting-parliament

নয়াদিল্লি: পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) সংশোধনী বিল, ২০২৬ সংসদের দুই কক্ষেই পাস হওয়ার পরই দেশবাসীর উদ্দেশে বিশেষ ভিডিও বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।  তিনি বলেন, দেশে একটি নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে এবং প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার রাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিশ্বাসযোগ্য পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমরা একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছি। বিশেষ টাস্ক ফোর্স গঠন, ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত তৈরি এবং বিভিন্ন রাজ্যের পরামর্শ গ্রহণ—সব ক্ষেত্রেই আমরা ধারাবাহিকভাবে কাজ করে চলেছি।”

Advertisements

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রশ্নফাঁসের সমস্যা নতুন নয়। গত কয়েক দশক ধরে দেশের প্রায় সব রাজ্য সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকার এই সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। তাঁর কথায়, “প্রশ্নফাঁসের কারণে আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ বারবার ঝুঁকির মুখে পড়েছে।”

Also Read | ভারতে পালানোর সময় গ্রেফতার সন্ত্রাসবাদী ইমনের কাছে ভারতের আধার! নাম আজহার খান

মোদী আরও জানান, শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্যাপক সংস্কার এবং প্রযুক্তির আরও বেশি ব্যবহার এখন সময়ের দাবি। কেন্দ্র ও রাজ্য, উভয় স্তরেই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কোনও প্রশ্নফাঁস মাফিয়া, কোনও চক্র বা দেশের ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কাউকেই ছাড়া হবে না।”

Also Read | পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষ বৈঠক মোদীর

সম্প্রতি সংসদে পাস হওয়া পাবলিক এক্সামিনেশনস (প্রিভেনশন অফ আনফেয়ার মিনস) সংশোধনী বিল, ২০২৬-এর লক্ষ্য হল বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষা এবং অন্যান্য পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, জালিয়াতি ও অসাধু উপায় রোধে আইনি কাঠামো আরও শক্তিশালী করা।

সরকারের দাবি, নতুন আইনের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁস চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত, কঠোর শাস্তি এবং প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে পরীক্ষার স্বচ্ছতা বাড়বে এবং যোগ্য প্রার্থীদের স্বার্থ আরও ভালোভাবে সুরক্ষিত হবে।