দিল্লির রাস্তায় গাড়ির লক ভেঙে মোবাইল চুরি! পুলিশের জালে সাহিল-রশিদ

নয়াদিল্লি: দিল্লির রাস্তায় আবারও একটি সাধারণ চুরির ঘটনা পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় ধরা পড়ল(Delhi)। দুই যুবক মোহাম্মদ সাহিল ও মোহাম্মদ রশিদ এক যুবকের গাড়ির লক খুলে…

delhi-mobile-theft-accused-arrested

নয়াদিল্লি: দিল্লির রাস্তায় আবারও একটি সাধারণ চুরির ঘটনা পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় ধরা পড়ল(Delhi)। দুই যুবক মোহাম্মদ সাহিল ও মোহাম্মদ রশিদ এক যুবকের গাড়ির লক খুলে মোবাইল ফোন চুরি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের তৎপরতায় তাঁরা ধরা পড়েন। এই ঘটনাটি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চুরি ও ছিনতাইয়ের ক্রমবর্ধমান সমস্যাকে আবারও সামনে এনেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে। ভুক্তভোগী যুবক তাঁর গাড়িতে কিছু কাজ সেরে ফিরে এসে দেখেন, গাড়ির দরজা খোলা এবং মোবাইল ফোনটি নেই। তিনি তাৎক্ষণিকভাবে চিৎকার করে লোকজন জড়ো করেন। আশেপাশের দোকানদার ও পথচারীরা দ্রুত সাড়া দেন। দুই যুবককে কাছাকাছি একটি গলিতে পালানোর চেষ্টা করতে দেখা যায়।

   

আরও দেখুনঃ কোচিংয়ে ভয়াবহ আগুনের জের! সিল করা হল খান স্যারের ইনস্টিটিউট

স্থানীয়রা তাঁদের ধরে ফেলেন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানিয়েছে, আটক দুই যুবকের নাম মোহাম্মদ সাহিল ও মোহাম্মদ রশিদ। তাঁদের বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৮ বছর। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা চুরির কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের ধারণা, এঁরা পেশাদার চোরচক্রের সদস্য হতে পারেন।

তাঁদের বিরুদ্ধে দিল্লির বিভিন্ন থানায় একাধিক চুরির মামলা থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ আরও তদন্ত করে দেখছে, এঁরা একা কাজ করছিলেন নাকি বৃহত্তর কোনও নেটওয়ার্কের অংশ।ভুক্তভোগী যুবক জানান, তিনি কাজ সেরে গাড়িতে ফিরছিলেন। মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য গাড়ি লক করে চলে গিয়েছিলেন। ফিরে এসে এমন ঘটনার সম্মুখীন হবেন, ভাবতেও পারেননি।

তিনি পুলিশের প্রশংসা করে বলেন, “যদি স্থানীয় মানুষ ও পুলিশ দ্রুত না সাড়া দিত, তাহলে হয়তো আমার ফোন চিরতরে হারিয়ে যেত।” এই ধরনের ঘটনা দিল্লিতে নতুন নয়। বিশেষ করে দক্ষিণ দিল্লি, পূর্ব দিল্লি ও কেন্দ্রীয় দিল্লির ব্যস্ত এলাকাগুলোতে গাড়ি ভাঙচুর করে মোবাইল, ল্যাপটপ, নগদ টাকা চুরির অভিযোগ প্রায়ই উঠছে। অনেক সময় চোরেরা আধুনিক টুলস ব্যবহার করে গাড়ির লক খোলে, যা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশ কমিশনার সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কড়া অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন।