
বারামতি: মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পওয়ারের মৃত্যু নিছক দুর্ঘটনা নাকি প্রতিকূল পরিস্থিতির সঙ্গে এক অসম লড়াই? বুধবার সকালে বারামতি বিমানবন্দরে লিয়ারজেট ৪৫ (VI-SSK) বিমানটি আছড়ে পড়ার ঠিক আগের মুহূর্তগুলোতে ককপিট ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের (ATC) মধ্যে কী কথা হয়েছিল, তার বিস্তারিত খতিয়ান প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক। (Ajit Pawar plane crash)
শেষ ১৬ মিনিটের ঘটনাপ্রবাহ: মিনিট-বাই-মিনিট
মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৮ জানুয়ারি সকালের সেই অভিশপ্ত সময়রেখা ছিল ঠিক এইরকম-
সকাল ০৮:১৮ মিনিট: বিমানটি প্রথমবার বারামতি এটিসি-র সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে।
পরবর্তী কল: পুণে অ্যাপ্রোচ থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর বারামতি থেকে ৩০ নটিক্যাল মাইল দূরে থাকাকালীন পাইলটরা দ্বিতীয়বার যোগাযোগ করেন। তাঁদের ভিজ্যুয়াল মেটিওরোলজিক্যাল কন্ডিশন (VMC) মেনে অবতরণের পরামর্শ দেওয়া হয়।
দৃশ্যমানতা নিয়ে সংশয়: পাইলটরা যখন আবহাওয়া ও দৃশ্যমানতা জানতে চান, তাঁদের জানানো হয় যে বাতাস শান্ত থাকলেও দৃশ্যমানতা প্রায় ৩,০০০ মিটার।
প্রথম ব্যর্থ চেষ্টা: বিমানটি রানওয়ে ১১-তে অবতরণের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালেও পাইলটরা জানান যে রানওয়ে দেখা যাচ্ছে না। ফলে তাঁরা প্রথমবার অবতরণ না করে ফিরে যান।
দ্বিতীয় প্রচেষ্টা ও শেষ বার্তা: কিছুক্ষণ পর পাইলটরা ফের জানান তাঁরা চূড়ান্ত পর্যায়ে আছেন। এটিসি থেকে রানওয়ে দেখতে পেলে জানাতে বলা হয়। পাইলটদের শেষ বার্তা ছিল, “রানওয়ে এখনও দেখা যাচ্ছে না, দেখতে পেলে জানাব।”
সকাল ০৮:৪৩ মিনিট: কয়েক সেকেন্ড পর পাইলটরা জানান তাঁরা রানওয়ে দেখতে পাচ্ছেন। এটিসি থেকে রানওয়ে ১১-তে অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়। কিন্তু পাইলটদের পক্ষ থেকে কোনও উত্তর আসেনি।
সকাল ০৮:৪৪ মিনিট: এটিসি কর্মীরা দেখেন রানওয়ের শুরুতে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। রানওয়ের বাম দিকে আছড়ে পড়ে অজিত পওয়ারের চার্টার্ড বিমান।













