কসমেটিক সার্জারিতে বদলেছে Bollywood অভিনেত্রীদের লুক? ফের জোর চর্চা নেটমাধ্যমে

মুম্বই: বলিউডে (Bollywood) সৌন্দর্য, গ্ল্যামার এবং নিখুঁত উপস্থিতি বরাবরই তারকাদের পেশার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই সময়ের সঙ্গে নিজের লুক আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে অনেক অভিনেত্রী কসমেটিক…

bollywood-actresses-cosmetic-surgery-rumours-social-media-discussion

মুম্বই: বলিউডে (Bollywood) সৌন্দর্য, গ্ল্যামার এবং নিখুঁত উপস্থিতি বরাবরই তারকাদের পেশার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই সময়ের সঙ্গে নিজের লুক আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে অনেক অভিনেত্রী কসমেটিক সার্জারি বা বিভিন্ন ধরনের নান্দনিক (কসমেটিক) ট্রিটমেন্টের সাহায্য নিয়েছেন বলে বহুদিন ধরেই জল্পনা রয়েছে। সম্প্রতি সেই বিষয়টি ফের আলোচনার কেন্দ্রে এসেছে।

দীর্ঘদিন ধরে বলিউডের একাধিক জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে ঘিরে এমন দাবি বা জল্পনা চলেছে যে তাঁরা ঠোঁট, নাক, চোয়াল কিংবা মুখের গঠনে পরিবর্তন আনতে আধুনিক কসমেটিক পদ্ধতির সাহায্য নিয়েছেন। যদিও এ বিষয়ে অনেকেই প্রকাশ্যে কিছু বলেননি। তাঁদের পুরনো ও বর্তমান ছবির তুলনা করে অনুরাগীদের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে নানা আলোচনা দেখা যায়।

Advertisements

বিনোদন জগতের বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় পর্দায় নিখুঁত উপস্থিতি বজায় রাখার চাপ, বদলে যাওয়া ফ্যাশন ও সৌন্দর্যের ধারা এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় সবসময় আলোচনায় থাকার প্রবণতা অনেক সময় শিল্পীদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে প্রভাবিত করতে পারে।

বর্তমানে রাইনোপ্লাস্টি (নাকের গঠন পরিবর্তন), লিপ ফিলার, বোটক্স, ফেস কনট্যুরিং-এর মতো কসমেটিক প্রক্রিয়া বিনোদন জগতে অস্বাভাবিক নয়। তবে এই ধরনের পরিবর্তন নিয়ে যেমন প্রশংসা হয়, তেমনই সমালোচনাও কম হয় না।

একাংশের মতে, একজন শিল্পীর আসল পরিচয় তাঁর অভিনয় দক্ষতা ও প্রতিভা, বাহ্যিক সৌন্দর্য নয়। আবার অন্যদের মত, নিজের শরীর বা চেহারা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয় এবং সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান করা উচিত।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, বলিউডের বিভিন্ন অভিনেত্রীকে ঘিরে কসমেটিক সার্জারির জল্পনা থাকলেও, প্রত্যেক ক্ষেত্রে তার সত্যতা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির তরফে নিশ্চিত করা হয়নি। তাই শুধুমাত্র ছবি দেখে বা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আলোচনার ভিত্তিতে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সৌন্দর্যের সংজ্ঞা সময়ের সঙ্গে বদলাতে পারে। তবে আত্মবিশ্বাস, ব্যক্তিত্ব এবং অভিনয় দক্ষতাই একজন শিল্পীকে দীর্ঘদিন দর্শকের মনে জায়গা করে দেয়।