অন্ধকারে ডুবে উত্তরপ্রদেশ, মানুষের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছেন যোগী

গোটা দেশে চলছে গরমের প্রবল দাপট। ব্যতিক্রম নয় উত্তরপ্রদেশ (Uttar pradesh)। রাজ্যের বেশিরভাগ জায়গায় তাপমাত্রা ৪০-৪৫ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। এই গরমে মানুষকে স্বস্তি দেওয়া তো দূরের কথা ...

By Kolkata24x7 Team

Published:

Follow Us

গোটা দেশে চলছে গরমের প্রবল দাপট। ব্যতিক্রম নয় উত্তরপ্রদেশ (Uttar pradesh)। রাজ্যের বেশিরভাগ জায়গায় তাপমাত্রা ৪০-৪৫ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। এই গরমে মানুষকে স্বস্তি দেওয়া তো দূরের কথা বরং ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোড শেডিংয়ের কারণে যোগী রাজ্যে মানুষের সমস্যা আরও বেড়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কেন্দ্র বারাণসী এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) কেন্দ্র গোরক্ষপুরের মানুষও বিদ্যুৎ না থাকার সমস্যায় নাজেহাল। আমজনতার অভিযোগ, গ্রামীণ এলাকায় দিনে ৮-১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ মিলছে না। শহরতলিতেও দিনে ৫-৬ ঘণ্টা লোডশেডিং চলছে। স্বাভাবিকভাবেই লোড শেডিংয়ের কারণে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষ গরমে ঘেমেনেয়ে কষ্ট পাচ্ছেন তেমনই বিভিন্ন শিল্পকারখানায় উৎপাদনও মার খাচ্ছে। রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেছেন যোগী। কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় রেল ও বিদ্যুৎ মন্ত্রীর সঙ্গে। কেন্দ্রের তরফে বাড়তি বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাসও আদায় করছেন ।

   

যোগী জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এ ঘটনায় এটা স্পষ্ট যে কেন্দ্র বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিকে অতিরিক্ত সাহায্য করছে। যোগী জানিয়েছেন, কয়লা সঙ্কটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মার খাচ্ছে। দ্রুত কয়লা সরবরাহের জন্য কেন্দ্র অতিরিক্ত রেকের ব্যবস্থা করছে। একই সঙ্গে যোগী চলতি বিদ্যুৎ সঙ্কটের দায় নিজের সরকারের ঘাড় থেকে ঝেড়ে ফলতে উদ্যোগী হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, বেশিরভাগ এলাকায় মানুষ বিদ্যুতের বিল দিতে অস্বাভাবিক দেরি করেন। তাঁদের উচিত সময়মত বিদ্যুতের বিল মেটান। পাশাপাশি যোগী দাবি করেছেন, গত কয়েকদিনের তুলনায় রাজ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা ভাল হয়েছে। যদিও সাধারণ মানুষ যোগীর এই কথা উড়িয়ে দিয়েছেন।

Kolkata24x7 Team

আমাদের প্রতিবেদন গুলি kolkata24x7 Team এর দ্বারা যাচাই করে লেখা হয়। আমরা একটি স্বাধীন প্ল্যাটফর্ম যা পাঠকদের জন্য স্পষ্ট এবং সঠিক খবর পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের লক্ষ্য এবং সাংবাদিকতার মান সম্পর্কে জানতে, অনুগ্রহ করে আমাদের About us এবং Editorial Policy পৃষ্ঠাগুলি পড়ুন।

Follow on Google