২০২৮ থেকে রাজ্যের স্কুলে নতুন সিলেবাস, NEP 2020 অনুযায়ী বড় পরিবর্তন

কলকাতা: জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020) ২০২০-র সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৮ সাল থেকে রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে নতুন পাঠ্যক্রম (সিলেবাস) চালুর লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে রাজ্য সরকার।…

west-bengal-new-school-syllabus-nep-2020-from-2028

কলকাতা: জাতীয় শিক্ষানীতি (NEP 2020) ২০২০-র সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৮ সাল থেকে রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে নতুন পাঠ্যক্রম (সিলেবাস) চালুর লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন রাজ্যের স্কুল শিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন।

মন্ত্রী জানান, প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বর্তমান পাঠ্যক্রম পর্যালোচনা ও আধুনিকায়নের জন্য ইতিমধ্যেই একটি নতুন সিলেবাস ও কারিকুলাম কমিটি গঠন করা হয়েছে।

Advertisements

দীপক বর্মন বলেন, “দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। বর্তমান সিলেবাসকে সময়োপযোগী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য পাঠ্যবই পর্যালোচনা করবে কমিটি এবং ২০২৮ সালে NEP 2020-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন সিলেবাস চালু করার লক্ষ্য রয়েছে।”

Also Read |  অনুব্রত-ঘনিষ্ঠের বাড়িতে ম্যারাথন তল্লাশি, উদ্ধার ২৯ কোটি ক্যাশ ও ১৫ কেজি সোনা

প্রতিটি বিষয় খতিয়ে দেখবে কমিটি

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, কমিটি প্রতিটি বিষয়ের পাঠ্যক্রম বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করবে এবং প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের সুপারিশ করবে। এরপর সেই সুপারিশের ভিত্তিতে রাজ্য সরকার আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

সরকারের দাবি, নতুন সিলেবাসের মাধ্যমে শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, দক্ষতাভিত্তিক এবং বর্তমান সময়ের চাহিদার উপযোগী করে তোলা হবে।

স্কুলছুট পড়ুয়াদের জন্যও বড় উদ্যোগ

এদিকে, স্কুলছুট পড়ুয়াদের মূলধারার শিক্ষায় ফিরিয়ে আনতেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্য শিক্ষা দফতর। এই লক্ষ্যে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ওপেন স্কুলিং (NIOS)-এর সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে রাজ্য সরকার।

এর মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের স্কুলছুট শিক্ষার্থীদের শনাক্তকরণ, ভর্তি, শিক্ষাগত সহায়তা এবং সার্টিফিকেট প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

Also Read | বাংলায় NIA-র প্রথম নিজস্ব থানা চালু, জঙ্গি-দমন তদন্তে বাড়বে গতি

দেশের যেকোনও প্রান্ত থেকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ

এই প্রকল্পের আওতায় পশ্চিমবঙ্গে নথিভুক্ত হওয়া শিক্ষার্থীরা দেশের যেকোনও প্রান্ত থেকে পরীক্ষা দিতে পারবেন। এছাড়া পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য তাঁদের পাঁচ বছরের সময়সীমা দেওয়া হবে। ফলে নিজের সুবিধামতো পড়াশোনা চালিয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ মিলবে।

রাজ্য সরকারের মতে, একদিকে যেমন নতুন জাতীয় শিক্ষানীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পাঠ্যক্রম আধুনিক করা হবে, তেমনই স্কুলছুট পড়ুয়াদেরও পুনরায় শিক্ষার মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।