Sunday, May 24, 2026
Home Uncategorized ২০ তারিখে ওষুধ দোকান বন্ধ, ধর্মঘটের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ বাড়ছে শহরজুড়ে

২০ তারিখে ওষুধ দোকান বন্ধ, ধর্মঘটের সিদ্ধান্তে উদ্বেগ বাড়ছে শহরজুড়ে

neet-pg-2025-negative-cutoff-controversy
Chemists and druggists body declares all-India strike, pharmacy services to be hit

করোনা মহামারির সময় ভারতে দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছিল ই-ফার্মাসি (E-Pharmacies) ব্যবস্থা। সেই সময় জরুরি পরিস্থিতিতে ওষুধ ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য (Medical Shop strike) এই পরিষেবা সাধারণ মানুষের কাছে এক বড় ভরসা হয়ে উঠেছিল। রোগী ও প্রবীণ নাগরিকদের জন্য এটি ছিল বিশেষভাবে সুবিধাজনক একটি ব্যবস্থা। করোনা পরিস্থিতি অনেক আগেই নিয়ন্ত্রণে এলেও ই-ফার্মাসি পরিষেবা এখনও দেশের বিভিন্ন জায়গায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

- Advertisement -

বর্তমানে অনলাইনে জামা-কাপড়, খাবার, ইলেকট্রনিক্সের পাশাপাশি খুব সহজেই ওষুধও অর্ডার করা যাচ্ছে। কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দরজায় পৌঁছে যাচ্ছে প্রয়োজনীয় ওষুধ। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা অনেক বেশি সহজ ও দ্রুত হয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা দূরে থাকেন বা শারীরিকভাবে চলাফেরায় অসুবিধা রয়েছে, তাঁদের জন্য এই ব্যবস্থা বড় সুবিধা এনে দিয়েছে।

   

আরও পড়ুন: গণনার আগেই নোয়াপাড়ায় বিজেপি নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি

তবে এই সুবিধার বিপরীতে এবার সরব হয়েছে দেশের ওষুধ ব্যবসায়ীদের সর্ববৃহৎ সংগঠন অল ইন্ডিয়া অর্গানাইজেশন অব কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্টস (AIOCD)। তাদের অভিযোগ, ই-ফার্মাসির কারণে প্রচলিত ওষুধের দোকানগুলো বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছে। পাশাপাশি অনলাইনে ওষুধ বিক্রির কারণে অনেক ক্ষেত্রে ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণহীনভাবে কমে যাচ্ছে বলেও দাবি তাদের।

আরও পড়ুন: নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে ফলতায় ২৮৫ কেন্দ্রে ফের ভোটগ্রহণ

সংগঠনের বক্তব্য অনুযায়ী, ই-ফার্মাসির মাধ্যমে বিভিন্ন ওষুধে ডিসকাউন্ট বা কম দামে বিক্রি করার প্রবণতা বাড়ছে। এতে স্থানীয় ফার্মেসিগুলোর ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বহু ছোট ও মাঝারি ওষুধের দোকান টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই পরিস্থিতির প্রতিবাদে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে AIOCD। তারা ঘোষণা করেছে দেশজুড়ে ধর্মঘটের (Strike)। জানা গেছে, আগামী ২০ মে, অর্থাৎ বুধবার সারা ভারতে একদিনের জন্য সব ওষুধের দোকান বন্ধ থাকবে। এই ধর্মঘটের ফলে সাধারণ মানুষ বড় ধরনের সমস্যার মুখে পড়তে পারেন, বিশেষ করে যাঁরা নিয়মিত ওষুধ গ্রহণ করেন বা জরুরি চিকিৎসার ওপর নির্ভরশীল।

ওষুধের দোকান বন্ধ থাকায় হাসপাতাল, নার্সিংহোম এবং সাধারণ গ্রাহকদের দৈনন্দিন চিকিৎসা পরিষেবা কিছুটা ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ধর্মঘট সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে, তাই বিকল্প ব্যবস্থা আগে থেকে নিশ্চিত করা জরুরি।

AIOCD জানিয়েছে, তাদের এই আন্দোলনের পেছনে মূলত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি রয়েছে। প্রথমত, ই-ফার্মাসির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা এবং অনলাইন ওষুধ বিক্রির নিয়ম আরও কঠোরভাবে কার্যকর করা। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় ফার্মেসিগুলোর স্বার্থ রক্ষা করে একটি সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করা। তৃতীয়ত, ওষুধের দাম নির্ধারণ ও বিক্রির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা বজায় রাখা, যাতে কোনোভাবেই অনিয়ন্ত্রিত ডিসকাউন্ট বা বাজার নষ্ট না হয়।

Follow on Google