
কালীঘাটের প্রাক্তন ওসি-কে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক (Mamata Banerjee) তরজা তুঙ্গে উঠেছে। আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ছবি পোস্ট করার পর সাসপেন্ড হওয়া গৌতম দাসকে কেন্দ্র করে এবার আরও গুরুতর অভিযোগ সামনে আনলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, কালীঘাটের ওই প্রাক্তন ওসি মহিলা ও শিশুদের উপর মারধর করেছিলেন। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার কাউন্টিং এজেন্টদের নিয়ে এক ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই তিনি কালীঘাটের প্রাক্তন ওসি-র ভূমিকা নিয়ে সরব হন। মমতা স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “মহিলা এবং শিশুদের মেরেছিলেন কালীঘাটের ওসি। শনিবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।” তাঁর এই মন্তব্য থেকে স্পষ্ট, বিষয়টিকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছেন এবং প্রশাসনিক স্তরে কড়া পদক্ষেপের পক্ষে।
শুধু প্রাক্তন ওসি-র বিরুদ্ধে অভিযোগেই থেমে থাকেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি পুলিশ পর্যবেক্ষকদের উদ্দেশেও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, কিছু পুলিশ পর্যবেক্ষক নাকি ভাবছেন ৪ মে-র পর তাঁরা নিজেদের রাজ্যে ফিরে গিয়ে দায় এড়াতে পারবেন। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, “পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা ভাবছেন, ৪ মে-র পরে উত্তরপ্রদেশ বা যে রাজ্য থেকে এসেছিলেন, সেখানে পালিয়ে যাবেন! তাঁদের প্রত্যেককে টেনে নিয়ে আসা হবে।” তিনি আরও জানান, অসাংবিধানিক কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং আদালতে তোলা হবে।
মমতার এই বক্তব্যে স্পষ্ট বার্তা রয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়া বা প্রশাসনিক দায়িত্বে কোনও ধরনের গাফিলতি বা বেআইনি কাজ বরদাস্ত করা হবে না। বিশেষ করে ভোটগণনার মতো স্পর্শকাতর সময়ে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সেই কারণেই তিনি আগে থেকেই কঠোর অবস্থান নিচ্ছেন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।













