
ভোটগণনাকে ঘিরে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commision) । গণনা প্রক্রিয়া যাতে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হয়, সেই লক্ষ্যেই অতিরিক্ত পর্যবেক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এবার ভোটগণনার জন্য বিশেষভাবে কাউন্টিং অবজ়ার্ভার নিয়োগ করা হচ্ছে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে বাড়ানো হচ্ছে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও। সব মিলিয়ে মোট ২৪২ জন পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন, যা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
নির্বাচন কমিশনের(Election Commision) এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল গণনা কেন্দ্রগুলিতে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং কোনও রকম অনিয়ম বা বিশৃঙ্খলা এড়ানো। ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল ভোটগণনা। এই সময়ে প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারিত হয়, ফলে রাজনৈতিক দলগুলির পাশাপাশি সাধারণ মানুষেরও নজর থাকে গণনা প্রক্রিয়ার দিকে। সেই কারণেই কমিশন কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না এবং আগাম প্রস্তুতি হিসেবে পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
কমিশন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এই পর্যবেক্ষকদের মূল কাজ হবে গণনা প্রক্রিয়াকে সহায়তা করা এবং প্রতিটি ধাপে নির্দিষ্ট নিয়মাবলি মেনে কাজ হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখা। কাউন্টিং অবজ়ার্ভাররা গণনা কেন্দ্রের ভেতরে উপস্থিত থেকে ইভিএম বা ব্যালট গণনার প্রতিটি পর্যায়ে নজর রাখবেন। কোথাও কোনও অসংগতি বা সন্দেহজনক পরিস্থিতি তৈরি হলে তারা সঙ্গে সঙ্গে তা উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষকে জানাবেন। এর ফলে দ্রুত সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে কমিশন।
অন্যদিকে, পুলিশ পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব থাকবে গণনা কেন্দ্রগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ভোটগণনার দিন সাধারণত কেন্দ্রগুলির বাইরে রাজনৈতিক কর্মী-সমর্থকদের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। কখনও কখনও উত্তেজনাও তৈরি হয়। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করবেন।













