বর্তমানে হাড়ের সমস্যা খুবই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার তাই সাধারণ মানুষ অনেক সময় ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়াই ক্যালসিয়ামের (calcium) ওষুধ গ্রহণ করেন যা একেবারেই শরীরের পক্ষে ভালো নয় বলেই জানাচ্ছি বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে ক্যালসিয়ামের ওষুধ যদি শরীরে প্রবেশ করতে থাকে, তাহলে হাড়ের সমস্যা কমলেও অন্যান্য বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সাধারণত আমরা সকলেই জানি বয়স ৩০ এর গণ্ডি পেরোলেই হাড়ের ক্ষয় হতে শুরু করে। যার ফলে গাঁটে গাঁটে ব্যথা, কোমরে ব্যথা, হাটু ব্যাথার মত সমস্যা দেখা দেয়। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনভাবেই খাওয়া যাবে না ক্যালসিয়ামের ওষুধ এমনটাই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ক্যালসিয়ামের ওষুধ অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে কিডনিতে পাথর হওয়ার মতো সমস্যা লক্ষ্য করা যায়।
দেহে অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম কিডনি থেকে শুরু করে লিভারের বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাছাড়া অতিরিক্ত পরিমাণে ক্যালসিয়ামের ওষুধ শরীরে প্রবেশ করলে মানসিক অবসাদে ভোগার মতো একটা প্রবণতা দেখা যায়। অন্যদিকে খুব সহজেই শরীরে বিভিন্ন অংশের পেশী সংকোচন হতে থাকে ক্যালসিয়ামের ওষুধের প্রভাবে।
অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যালসিয়ামের ওষুধ অন্যান্য যে কোন ধরনের ওষুধের কার্যকারিতা কমিয়ে ফেলতে পারে সহজেই। যার ফলে অন্যান্য ওষুধ শরীরে প্রবেশ করলেও তার কাজ করতে ব্যর্থ হয়। তাছাড়া পেটের সমস্যা বাড়িয়ে তুলতে পারে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম। যার ফলে বদহজম এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।




















