অসমের উন্নতিতে বিশাল ভূমিকা-মনে রাখবে ইতিহাস! ধর্মেন্দ্রর পদত্যাগে বিস্ফোরক মামা

গুয়াহাটি: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘটনায় (Himanta)প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেছেন, ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ধর্মেন্দ্র প্রধানের নিজস্ব। তবে অসমের…

himanta-on-dharmendra-pradhan

গুয়াহাটি: কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘটনায় (Himanta)প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেছেন, ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত ধর্মেন্দ্র প্রধানের নিজস্ব। তবে অসমের উন্নয়নে তাঁর অবদান অস্বীকার করা যাবে না। মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “ইতিহাস ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইতিবাচকভাবে বিচার করবে।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন যে, ধর্মেন্দ্র প্রধান অসমের জন্য অনেক কিছু করেছেন। আজ গুয়াহাটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি আরও বিস্তারিতভাবে এই বিষয়ে মন্তব্য করেন। ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের নেতৃত্বে অসমে আইআইএম (ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট) প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

Advertisements

আরও দেখুনঃ ফের দাম বাড়তে পারে পেট্রোল-ডিজেলের! ইঙ্গিত সরকারের

জাতীয় শিক্ষা নীতি (এনইপি) বাস্তবায়নে তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি বর্তমান ঘটনাপ্রবাহ খুব বেশি অনুসরণ করিনি, কিন্তু ইতিহাস তাঁকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঔপনিবেশিক মুক্ত করার একজন ব্যক্তি হিসেবে মনে রাখবে।”মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার পর দেশজুড়ে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

কিন্তু অসমের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রেখেছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, ধর্মেন্দ্র প্রধানের সময়ে অসমের শিক্ষাক্ষেত্রে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন হয়েছে। আইআইএম প্রতিষ্ঠা তার মধ্যে অন্যতম।ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মা আরও বলেন, “শিক্ষা ব্যবস্থায় ঔপনিবেশিক প্রভাব মুক্ত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। ধর্মেন্দ্র প্রধান সেই দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।

আরও দেখুনঃ দরকার নেই আমেরিকার! AMCA কে গতি দিতে মোদীর পাশে পুতিন

জাতীয় শিক্ষা নীতির বাস্তবায়ন তাঁর নেতৃত্বে অনেকটা এগিয়েছে।” মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন যে, ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি কোনো সমালোচনায় যেতে চান না।এদিকে অসমের শিক্ষামহলে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

কেউ কেউ বলছেন, তাঁর সময়ে অসমের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আবার অনেকে মনে করেন, নিট কেলেঙ্কারির মতো ঘটনাগুলো তাঁর আমলে ঘটেছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলেছে। তবে মুখ্যমন্ত্রীর ইতিবাচক মন্তব্য অনেকের কাছে আশার আলো জ্বালিয়েছে।

আরও দেখুনঃ মিছিলে আদালতের না, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই পদ্মপুকুরের রাস্তায় মমতা