লখনউ: উত্তরপ্রদেশের আদমপুর থানা এলাকার পাঠানি টোলায় অবস্থিত ডা. আরিফ আনসারির (Dr Arif Ansari)বাসভবনে মুম্বই এবং বারাণসী অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)-এর যৌথ টিম অভিযান চালিয়েছে। ডা. আরিফ আনসারি ও তাঁর ছেলে আবু বকরকে একটি সন্ত্রাসবাদী অর্থায়ন মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই অভিযানে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয় এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ বিভিন্ন সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।
এটিএস সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই টিমের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানটি ছিল অত্যন্ত গোপনীয় ও সুনির্দিষ্ট। মুম্বই এটিএসের একটি দল বিশেষ তথ্যের ভিত্তিতে বারাণসী এটিএসের সঙ্গে যোগাযোগ করে অভিযানে অংশ নেয়। পাঠানি টোলা এলাকাটি আদমপুর পুলিশ স্টেশনের আওতাধীন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালের দিকে বেশ কয়েকটি গাড়ি নিয়ে পুলিশ বাহিনী এসে এলাকাটি ঘিরে ফেলে। বাড়ির ভেতরে তল্লাশি চলাকালীন বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়।
আরও দেখুনঃ নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর বড় ঘোষণা! সনাতনী ঐক্যের ডাক, ভাতা দ্বিগুণের প্রতিশ্রুতি
ডা. আরিফ আনসারি একজন চিকিৎসক। তাঁর পরিবারের সদস্যরা এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে স্থানীয় সূত্র বলছে, অভিযানের পর ডা. আনসারি ও তাঁর ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এটিএস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সন্দেহভাজনদের সঙ্গে কোনো জঙ্গি সংগঠনের অর্থ সরবরাহের যোগাযোগ থাকতে পারে। বিদেশি সূত্র থেকে অর্থ আসা এবং তা দেশের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এই অভিযান ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী অভিযানের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। গত কয়েক মাসে মুম্বাই, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটসহ বিভিন্ন জায়গায় এটিএস ও জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) একাধিক সন্ত্রাসবাদী মডিউল ভেঙে দিয়েছে। বিশেষ করে অনলাইন র্যাডিক্যালাইজেশন, অর্থায়ন এবং বিদেশি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। আধিকারিকরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে এ ধরনের নেটওয়ার্ক চিহ্নিত করা সহজ হয়েছে, কিন্তু এখনও সতর্কতা অব্যাহত রাখতে হবে।



















