সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশে নতুন চাপে দেশের প্রাথমিক শিক্ষকরা। এবার সকল কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষককে ফের যোগ্যতা যাচাইয়ের পরীক্ষায় বসতে হবে বলে জানিয়ে দিল দেশের শীর্ষ আদালত। একটি রিভিউ পিটিশনের শুনানিতে গুরুত্বপূর্ণ এই নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের এই রায়ের ফলে পশ্চিমবঙ্গ-সহ গোটা দেশের লক্ষ লক্ষ প্রাথমিক শিক্ষকের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়েছে।
শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) নির্দেশ অনুযায়ী, বর্তমানে কর্মরত সমস্ত প্রাথমিক শিক্ষককে টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট বা টেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। অর্থাৎ, আগে চাকরিতে যোগ দিলেও এবার নতুন করে যোগ্যতা প্রমাণ করতে হবে শিক্ষকদের। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, ২০২৮ সালের ৩১ অগস্টের মধ্যে এই পরীক্ষা সম্পূর্ণ করতে হবে। সেই সময়সীমার মধ্যেই সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকার ও শিক্ষা পর্ষদগুলিকে পরীক্ষা আয়োজন এবং মূল্যায়নের কাজ শেষ করতে হবে। এই নির্দেশের জেরে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে চলেছে পশ্চিমবঙ্গে। (Supreme Court) প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ সূত্রে খবর, রাজ্যে প্রায় ১ লক্ষ কর্মরত প্রাথমিক শিক্ষককে এই পরীক্ষায় বসতে হতে পারে। গোটা দেশে সেই সংখ্যা প্রায় ৩০ লক্ষের কাছাকাছি। ফলে এত বড় সংখ্যক শিক্ষকের জন্য পরীক্ষা আয়োজন করা প্রশাসনের কাছেও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছে শিক্ষামহল।
আদালতের (Supreme Court) পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার মান উন্নত করতেই এই পদক্ষেপ প্রয়োজন। বিচারপতিদের মতে, শিক্ষকতার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট যোগ্যতার মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। সেই কারণেই কর্মরত শিক্ষকদের ক্ষেত্রেও টেট বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আদালত আরও জানিয়েছে, শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি মজবুত করতে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষক থাকা প্রয়োজন।




















