Kolkata, April 21: ভারতে ডোপিং সমস্যা দীর্ঘদিনের। ভারতে ডোপিংয়ের ঝুঁকি ‘অত্যন্ত বেশি’ এবং তাই ডোপিংয়ের সম্ভাবনায় ‘ক্যাটাগরি এ’ তে ফেলল বিশ্ব সংস্থা অ্যাথলেটিক্স ইন্টেগ্রিটি ইউনিট। এর অর্থ, আরও বেশি নজরদারি, আরও বেশি সতর্কতা।
অ্যাথলেটিক্স ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের (AIU) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত কয়েকবছরে ডোপিংয়ের সমস্যা ক্রমানুপর্যায়ে বেড়েছে। ২০২২ সালে ডোপিংয়ের ৪৮টি ঘটনা সামনে আসে। এরপর ২০২৩ সালে ৬৩টি ডোপিং কেস। ২০২৪ সালে এক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭১। এই বছরেও ডোপিং সংখ্যা ইতিমধ্যে ৩০ হয়ে গিয়েছে।
এর আগে ভারত ডোপিং ঝুঁকি-এর তালিকায় একাধিকবার শীর্ষে বা দ্বিতীয় স্থানে ছিল। তখন ঝুঁকির মাত্রা ‘উচ্চ’ ছিল। এখন তা সরাসরি ‘অত্যন্ত উচ্চ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হল। সামনেই এশিয়ান গেমস, কমনওয়েলথ গেমস। তার আগে অ্যাথলেটিক্স ইন্টেগ্রিটি ইউনিট-এর এই ঘোষণা। এরপর অ্যাথলেটিক্সে ভারতের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
ডোপিং সম্ভাবনায় ‘ক্যাটাগরি এ’ তে পরে যাওয়ায় ভারতীয় অ্যাথলিটদের উপর বাড়তি নজরদারি থাকবে। প্রতিযোগিতার বাইরে অ্যাথলিটদের হঠাৎ পরীক্ষা, প্রতিযোগিতার আগে রক্ত পরীক্ষা, নিয়মিত নজরদারি—এসবই বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। জাতীয় দলে থাকলে সব নমুনা বিশ্ব স্বীকৃত ল্যাবরেটরিতে যাচাই করিয়ে নির্দিষ্ট মানের পরীক্ষা করাতে হবে।
ভারতে ডোপিং সমস্যা নিয়ন্ত্রণে এর আগে বেশ কিছু পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে। তবুও সমস্যা দূর তো হয়নি, বরং বেড়েছে। এর জন্য দুর্বল অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে দায়ী করেছেন বিশ্ব সংস্থার চেয়ারম্যান ডেভিড হাওম্যান। তিনি জানিয়েছেন, কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে পরিবর্তন ভারতীয় ফেডারেশনের সঙ্গেও কাজ করবে বৈশ্বিক সংস্থা।




















