ভারতকন্যাদের ক্রীড়াজয়, পুরীর সমুদ্র সৈকতে ‘উইমেন ইন ব্লু’ সমর্থকদের ভিড়

ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল (India women’s national cricket team) ইতিহাস সৃষ্টি করল। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় ভারতের হাতেই। হরমনপ্রীত কউর, স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি বর্মা, রিচা দেশাই ও দলের ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Women in Blue’ Make History, Fans Celebrate at Odisha’s Puri Beach

ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল (India women’s national cricket team) ইতিহাস সৃষ্টি করল। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় ভারতের হাতেই। হরমনপ্রীত কউর, স্মৃতি মান্ধানা, শেফালি বর্মা, রিচা দেশাই ও দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রা মাঠে নিজেদের অসাধারণ পারফরম্যান্স দিয়ে দেশের জন্য গৌরব অর্জন করেছেন। তাঁদের এই কৃতিত্বে গোটা দেশ আজ আনন্দের ঢেউয়ে ভাসছে।

রাতভর দেশে বিভিন্ন শহর ও শহরতলিতে চলেছে আনন্দ উদযাপন। মুম্বই, দিল্লি, কলকাতা, চেন্নাই থেকে শুরু করে ছোট শহর পর্যন্ত সব জায়গায় মানুষ রাস্তায় বের হয়ে দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। হ্যান্ডসাপ, পোস্টার, পতাকা এবং উচ্ছ্বাসের ঝলক ছড়িয়েছে চারদিকে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষ তাদের খুশি প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে হরমনপ্রীত ও স্মৃতি মান্ধানার অসাধারণ ইনিংস নিয়ে আলোচনা সমগ্র দেশে তুঙ্গে।

   

সোমবার সকালে উত্সবের আরও একটি চমক সবাইকে মুগ্ধ করেছে। ভারতের উড়ন্ত জয়কে উদযাপন করতে পুরীর সমুদ্র সৈকতে স্যান্ড আর্টিস্ট সুদর্শন পট্টনায়ক একটি বিশাল স্যান্ড আর্ট তৈরি করেছেন। স্যান্ড আর্টে দেখা যাচ্ছে ‘Women in Blue’ বা ‘নীল রঙের নারীরা’ দলের বিভিন্ন মুহূর্ত এবং জয়ের সেলিব্রেশন। স্থানীয় ও পর্যটকরা এই আর্ট দেখে মুগ্ধ হয়েছেন এবং স্মৃতি হিসেবে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলেন।

পুরী সৈকতের পাশাপাশি অন্যান্য জায়গাগুলিতে, বিশেষ করে ওড়িশার বিভিন্ন শহর ও গ্রামে, দলীয় পতাকা ও ব্যানার লাগানো হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে যাতে উৎসব নিরাপদ ও সুষ্ঠু ভাবে সম্পন্ন হয়। বহু পরিবার এই আনন্দ উদযাপন করতে সৈকতে ভ্রমণ করেছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই জয়ের প্রভাব কেবল খেলাধুলাতেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দেশের যুবসমাজের মধ্যে নারীর ক্ষমতায়ন এবং ক্রীড়া শিক্ষার জন্য নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। ছোট থেকে বড়, প্রতিটি মেয়েই এখন ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। মিডিয়ায়, স্কুল-কলেজে এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই জয়ের নিয়ে প্রচুর আলোচনা চলছে।

 

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।