উদ্ধারকাজের সময় নিহত মুম্বই শিশু পণবন্দি ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত

মুম্বইয়ে শিশুদের (Mumbai Hostage Crisis) পণবন্দি রাখার ঘটনার মূল অভিযুক্ত রোহিত আর্য মৃত‌্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান চলাকালীন অভিযুক্তের সঙ্গে গোলাগুলি বিনিময় হয়। এই সংঘর্ষে রোহিত গুরুতর ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Accused Shot Dead During Powai Children Hostage Standoff

মুম্বইয়ে শিশুদের (Mumbai Hostage Crisis) পণবন্দি রাখার ঘটনার মূল অভিযুক্ত রোহিত আর্য মৃত‌্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধার অভিযান চলাকালীন অভিযুক্তের সঙ্গে গোলাগুলি বিনিময় হয়। এই সংঘর্ষে রোহিত গুরুতর জখম হন এবং পরে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে অভিযান চলাকালীন পুলিশ শিশুদের নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে আর.এ. স্টুডিওতে নিয়মিত অভিনয় প্রশিক্ষণ চলছিল। প্রতিদিনের মতোই বহু শিশু সেখানে অভিনয়ের অডিশন দিতে আসে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রোহিত আর্য, যিনি স্টুডিওরই এক কর্মচারী এবং নিজে একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করতেন।গত চার-পাঁচ দিন ধরে তিনি নিজেই শিশুদের অডিশন নিচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকালেও প্রায় ১০০ জন শিশু অডিশনে অংশ নেয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পর রোহিত ৮০ জনের মতো শিশুকে ছেড়ে দিলেও ১৫ থেকে ২০ জন শিশুকে আটকে রাখেন স্টুডিওর ভেতরে।

   

রোহিত আর্য পরে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি নিজেকে এই ঘটনার পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করেন। রোহিত দাবি করেন, তাঁর দাবি অর্থনৈতিক নয়, বরং “নৈতিক ও নীতিগত”। তিনি বলেন, “আমি টাকার জন্য এটা করিনি, আমি চাই সমাজ কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলুক।” যদিও তাঁর এই বক্তব্যে কী ধরনের “নৈতিক দাবি” ছিল, তা স্পষ্ট নয়।

ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুম্বই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। এলাকার চারদিক ঘিরে ফেলা হয় এবং দ্রুত উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ (ডিসিপি) দত্তা নালাওয়াডে জানান, ঘটনাস্থল থেকে এয়ারগান ও কিছু রাসায়নিক পদার্থ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেন, “অভিযুক্ত সম্পূর্ণ একাই এই কাজটি করেছে। আমরা দ্রুত পরিকল্পনা করে শিশুদের নিরাপদে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছি।”

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।