কালীঘাটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, চারপাশে মমতার ব্যানার, বিজেপির অভিযোগ পোস্টার উধাও

কলকাতা ২৬ সেপ্টেম্বর: কালীঘাটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফর ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেখানে হেঁটেছেন, সেই পথেও চোখে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। এছাড়াও তিনি যেখানে ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Kalighat Becomes Political Battleground as TMC, BJP Fight Over Posters

কলকাতা ২৬ সেপ্টেম্বর: কালীঘাটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সফর ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেখানে হেঁটেছেন, সেই পথেও চোখে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। এছাড়াও তিনি যেখানে গাড়িতে উঠেছেন, তার পিছনেও দেখা যাচ্ছে মমতার ব্যানার। এক কথায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর হওয়া সত্ত্বেও পুরো কালীঘাট এলাকা মমতার ব্যানারে ‘ঢাকা’ ছিল।

এই ঘটনা রাজনৈতিক মহলে তুমুল চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে যেখানে সামান্য জায়গা পেলেন, সেই স্থানে স্থানীয় তৃণমূল সমর্থকরা মমতার ছবি ও ব্যানার দিয়ে চারপাশকে ঘিরে রেখেছিলেন। ফলে কালীঘাটের রাস্তায় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার দৃশ্য আরও প্রকটভাবে প্রকাশ পায়।

   

বিজেপি অভিযোগ করেছে যে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের পোস্টার তৃণমূল নেতাদের দ্বারা সরিয়ে ফেলা হয়েছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান করার জন্য পোস্টার লাগানো হয়েছিল। কিন্তু কালীঘাটে তৃণমূল সমর্থকরা মমতার ব্যানার দিয়ে এলাকা ঢেকে দিয়ে রাজনৈতিক বার্তা পাঠানোর চেষ্টা করেছেন।

এই ঘটনার ফলে রাজনৈতিক চর্চা ও সামাজিক মিডিয়ায় গরম আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অনেক বিজেপি কর্মী মনে করছেন, স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে শাহের পোস্টার সরানো হয়েছে। অন্যদিকে তৃণমূল শিবির দাবি করছে, মমতার ব্যানার বসানো ছিল স্বাভাবিক প্রচার কার্যক্রমের অংশ এবং এটি নির্বাচনী বা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

কালীঘাটে মমতার ব্যানার শুধু দৃশ্যমানতার জন্য নয়, এটি রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনেরও একটি মাধ্যম। ব্যানারগুলো বড় আকারের এবং বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে স্থাপন করা হয়েছিল, ফলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেখানে হেঁটেছেন বা গাড়িতে উঠেছেন, সেখানেও চোখে পড়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি।

মুখ্যমন্ত্রীর এই দৃশ্যমানতা রাজনৈতিক বার্তা দেয় যে, এলাকার ক্ষমতা এখনও তৃণমূলের দখলে রয়েছে। স্থানীয় সমর্থকরা মনে করেন, এই ধরনের প্রচার কর্মসূচি রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

 

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google