শমীক ভট্টাচার্যকে ঘিরে উত্তাল হাওড়ার দাশনগর, প্রতিবাদে শামিল তৃণমূল বিধায়ক

হাওড়া ১১ সেপ্টেম্বর: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হাওড়ার দাশনগরে রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacherjee) অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়ল তৃণমূল বিধায়ক থেকে ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
Rahul Preparing to Concede Defeat, Alleges BJP Leader Shamik Bhattacharya

হাওড়া ১১ সেপ্টেম্বর: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হাওড়ার দাশনগরে রণক্ষেত্রের আকার ধারণ করে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের (Samik Bhattacherjee) অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়ল তৃণমূল বিধায়ক থেকে শুরু করে দলের কর্মীরা। স্লোগান পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। এই ঘটনাকে ঘিরে শুধু দাশনগর নয়, সমগ্র শিবপুর বিধানসভা কেন্দ্রজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে রাজনৈতিক চাঞ্চল্য।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ‘আরতি কটোন মিল’-এর মাঠে। জানা গিয়েছে, ‘নরেন্দ্র কাপ’ নামে একটি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করতে এসেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।  আর শমীক ভট্টাচার্য মাঠে ঢোকার বেশ কয়েকঘন্টা আগে থেকেই দাশনগরের আরতি কটন মিলের সামনে গলায় প্ল্যাকার্ড ঝুলিয়ে শিবপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মনোজ তিওয়ারির নেতৃত্বে একটি বিক্ষোভ মঞ্চ তৈরি হয়। তাঁদের দাবি, “শ্রমিকদের স্বার্থ ফিরিয়ে দাও”, “বন্ধ কারখানা চালু করতে হবে”, “বকেয়া বেতন ও বোনাস অবিলম্বে দিতে হবে” ইত্যাদি।

   

কারণ এই আরতি কটন মিল বহুদিন ধরেই বন্ধ হয়ে পরে রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে থাকা সত্ত্বেও বহু বছর ধরে আংশিকভাবে চালু রয়েছে। কিছু শ্রমিক কাজ করলেও অধিকাংশ অংশই বন্ধ পড়ে আছে। নিয়মিত বেতন, বোনাস এবং অন্যান্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন কর্মীরা। তাঁদের স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্র সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়েছে বলেই দাবি তৃণমূলের। মনোজ তিওয়ারি বিক্ষোভ মঞ্চ থেকে বলেন—“মিলের মাঠে খেলা হবে, অথচ শ্রমিকদের অধিকার অস্বীকার করা হবে—এটা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। শ্রমিকদের কণ্ঠস্বর আমরা আজ এখানে তুলে ধরেছি।”যে মুহূর্তে শমীক ভট্টাচার্যের গাড়ি এলাকায় ঢোকে, সঙ্গে সঙ্গেই তৃণমূল কর্মীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা গাড়ি ঘিরে স্লোগান শুরু করেন। পুলিশ চেষ্টা করেও ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি। ফলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি।

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google