AFSPA in West Bengal: বাংলা-পাঞ্জাবে আফস্পা চালু সম্পর্কে ‘বিস্ফোরক’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী সরকার আইন সংশোধন করে পশ্চিমবঙ্গ পাঞ্জাব-সহ কয়েকটি রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (bsf) বা বিএসএফের আওতাধীন এলাকা অনেকটাই বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের এই একতরফা সিদ্ধান্তের তীব্র ...

By Rana Das

Published:

Follow Us
AFSPA in West Bengal

নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী সরকার আইন সংশোধন করে পশ্চিমবঙ্গ পাঞ্জাব-সহ কয়েকটি রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (bsf) বা বিএসএফের আওতাধীন এলাকা অনেকটাই বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের এই একতরফা সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (west bengal goverment)। তারই প্রেক্ষিতে বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (home ministry) কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জহর সরকার (jahawar sircar)।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জানতে চান এভাবে বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়িয়ে কেন্দ্র কি সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে তার ক্ষমতা জাহির করতে চাইছে? বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ৩২৪০০ স্কোয়্যার কিলোমিটার এলাকা বিএসএফের নিয়ন্ত্রণাধীন। কিন্তু আইন সংশোধনের ফলে সেটা প্রায় তিনগুণ বেড়ে ৮৮ হাজার ৭৫২ স্কয়্যার কিলোমিটার হচ্ছে। একইসঙ্গে জহর সরকার জানতে চান, এভাবে বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকার সীমা বাড়িয়ে কেন্দ্র কি সরাসরি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার উপর হস্তক্ষেপ করছে না? এভাবেই কি কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় আঘাত করতে চাইছে? আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ এবং পাঞ্জাবেও কি সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন আফস্পা চালু হতে পারে? আগামী দিনে বিএসএফ কি কোনও রকম ওয়ারেন্ট ছাড়াই বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাতে ও বাজেয়াপ্ত করতে পারবে?

   

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের একাধিক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানান, রাজ্যগুলির এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করার লক্ষ্য নিয়ে কখনওই বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ানো হয়নি। চলতি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যে সমস্ত রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে সেই সব রাজ্যের সীমান্তে নিরাপত্তা আরও মজবুত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিএসএফের সীমানা বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী যাতে আরও দক্ষতার সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহার করে নজরদারি চালাতে পারে সে কারণেই তাদের আওতাধীন এলাকার সীমা বাড়ানো হয়েছে। শুধু সন্ত্রাসবাদীদের গতি রোধ করাই নয়, মাদক, অস্ত্র ও জাল নোট পাচার ঠেকানোর জন্যই বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ার ফলে সীমান্তে পশু পাচারও অনেকটাই কমবে।

মন্ত্রী আরও জানান, কেন্দ্র কখনওই রাজ্যগুলির আইনি ক্ষমতার উপর হস্তক্ষেপ করতে চায় না। বরং কেন্দ্র চায় রাজ্যগুলির সহযোগিতা নিয়েই সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে। সীমান্ত এলাকায় নিয়মিতই বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ঘটে থাকে। একই সঙ্গে জালনোট, গরু ও মাদক পাচার হয়ে থাকে। এই সমস্ত বেআইনি কাজ প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যেই সরকার বিএসএফের এলাকা বাড়িয়েছে। তবে এই কাজে রাজ্য সরকারকেও সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে। রাই আরও বলেন, নির্দিষ্ট আইন মেনেই বিএসএফ কোনও এলাকায় তল্লাশি চালাতে বা কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। তল্লাশি চালানো বা কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত করা কখনওই আইন বহির্ভূতভাবে করতে পারবেনা বিএসএফ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ এবং পাঞ্জাবে কখনওই সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আফস্পা প্রয়োগ করা হবে না।

Rana Das

Rana Das pioneered Bengali digital journalism by launching eKolkata24.com in 2013, which later transformed into Kolkata24x7. He leads the editorial team with vast experience from Bartaman Patrika, Ekdin, ABP Ananda, Uttarbanga Sambad, and Kolkata TV, ensuring every report upholds accuracy, fairness, and neutrality.

Follow on Google