Uttrarkashi: কংক্রিট স্প্রে ছড়িয়ে মাটি জমাট, উত্তরকাশীর গুহায় আটকে শ্রমিকরা

৪৮ ঘণ্টা পেরিয়েছে, এখনও উত্তরকাশীর (uttarkashi) নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে আটকে ৪০ শ্রমিক। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলের তরফে জানানো হয়েছে, সুড়ঙ্গের মধ্যে প্রায় ২০০ মিটার চওড়া জায়গা ...

By Rana Das

Published:

Follow Us

৪৮ ঘণ্টা পেরিয়েছে, এখনও উত্তরকাশীর (uttarkashi) নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে আটকে ৪০ শ্রমিক। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উদ্ধারকারী দলের তরফে জানানো হয়েছে, সুড়ঙ্গের মধ্যে প্রায় ২০০ মিটার চওড়া জায়গা ধস নেমেছিল। বড় বড় পাথর, বোল্ডার ভেঙে পড়ে পুরো অংশটাই বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। বর্তমানে সুড়ঙ্গের ভিতরে ধসে পড়া ওই পাথর কাটা হচ্ছে।

এনডিআরএফের তরফে জানানো হয়েছে, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে পড়া শ্রমিকদের কাছে পৌছনোর জন্য “এসকেপ প্যাসেজ” তৈরি করা হচ্ছে। সুড়ঙ্গের ভিতরে উদ্ধারকারী দলের থেকে প্রায় ৪০ মিটার দূরত্বেই আটকে রয়েছেন শ্রমিকরা। এরমধ্যে পাথর কেটে ২১ মিটার রাস্তা সাফ করা হয়েছে। ১৯ মিটার পাথর কাটা এখনও বাকি।

   

জানা গেছে, উদ্ধারকাজ শুরুর প্রথমে ৩০ মিটার চওড়া পাথর কেটে বেশ কিছুটা ভিতরে পৌঁছে গিয়েছিলেন উদ্ধারকারী দল। কিন্তু সুড়ঙ্গের উপর থেকে মাটি ধসে পড়তেই ফের কিছুটা রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। ঝুরো মাটি ধসে যাতে ফের বিপত্তি না হয়, সেই কারণে ‘শটক্রেটিং’ নামক এক বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কংক্রিট স্প্রে করা হয় এই পদ্ধতিতে। ফলে মাটি ধসে পড়ার সম্ভাবনা কমে। উদ্ধারকারী দলের পরিকল্পনা, ধ্বংসস্তূপের নীচে গর্ত করে সেখানে হাইড্রোলিক জ্যাক ব্যবহার করে ৯০০ মিলিমিটারের পাইপ ঢোকানো হবে। এরপরে অ্যাগুয়ার মেশিন ব্যবহার করে আটকে পড়া শ্রমিকদের বের করা হবে।

প্রসঙ্গত, উত্তরকাশীর সুড়ঙ্গে আটকে রয়েছেন বিহার, ঝাড়খণ্ড, উত্তর প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা, উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশের পরিযায়ী শ্রমিকরা। রবিবার সকাল থেকে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছে। সুড়ঙ্গের ভিতরে ৪০০ মিটার বাফার জোন তৈরি করা হয়েছে শ্রমিকদের হাঁটাচলা ও নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য। ওয়াকি-টকির মাধ্যমে তাদের সঙ্গে যোগাযোগও করা সম্ভব হয়েছে।

Rana Das

Rana Das pioneered Bengali digital journalism by launching eKolkata24.com in 2013, which later transformed into Kolkata24x7. He leads the editorial team with vast experience from Bartaman Patrika, Ekdin, ABP Ananda, Uttarbanga Sambad, and Kolkata TV, ensuring every report upholds accuracy, fairness, and neutrality.

Follow on Google