
পশ্চিমবঙ্গের প্রথম দফার ভোটে নজিরবিহীন অংশগ্রহণ দেখা গেল। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ভোটারদের উৎসাহে ৯০ শতাংশেরও বেশি ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয় (Supreme Court) , যা অনেক বছর পর একটি নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। ২০১১ সালের তুলনায়ও এই ভোটদানের হার অনেক বেশি বলে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহল মনে করছে, ফলে ২০২৬ সালের এই নির্বাচনী পর্বকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই বিপুল ভোটদানে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবাইই ভোটারদের এই অংশগ্রহণকে গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক বলে উল্লেখ করেছেন। (Supreme Court) তাঁদের মতে, এত বেশি ভোটগ্রহণ প্রমাণ করে যে সাধারণ মানুষ এখনও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর আস্থা রাখে। এই প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত । সুপ্রিম কোর্টে চলমান SIR মামলার শুনানির সময় তিনি বলেন, “দেশের একজন নাগরিক হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের ভোটের হার দেখে আমি খুব খুশি।” তাঁর মতে, যখন মানুষ নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, তখন গণতন্ত্র আরও শক্তিশালী হয়। বিচারপতির এই মন্তব্য আদালত কক্ষেই বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করে।
তিনি আরও পর্যবেক্ষণ করেন যে ভোটদানে মানুষের এই অংশগ্রহণ গণতান্ত্রিক কাঠামোর ভিতকে মজবুত করে। নাগরিকরা যখন সক্রিয়ভাবে ভোট দেন, তখন রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি আরও বৃদ্ধি পায়। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে ভোটারদের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ বিচারব্যবস্থার দৃষ্টিতেও অত্যন্ত ইতিবাচক। এই মামলার শুনানির সময় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশও দেন প্রধান বিচারপতি। ট্রাইব্যুনালে নাম নিষ্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। এতে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

