মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সমঝোতা!

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে (Police)একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় (RRU)-এর…

west-bengal-police-rashtriya-raksha-university-mou-modern-policing

কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে পুলিশ বাহিনীকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করে তোলার লক্ষ্যে (Police)একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় রক্ষা বিশ্ববিদ্যালয় (RRU)-এর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি (MOU) অনুমোদন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “প্রস্তাবটি মূলত ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে আরআরইউ-এর কাছ থেকে এসেছিল।

আগের সরকারের আমলে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, ফাইলটি পড়ে ছিল। বর্তমান সরকার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত অনুমোদন দিয়েছে।” এই চুক্তির ফলে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অফিসার ও জওয়ানরা দেশের অন্যতম সেরা প্রতিরক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ পাবেন। এতে সাইবার অপরাধ, ফরেনসিক, সন্ত্রাসবাদ দমন, সীমান্ত নিরাপত্তা থেকে শুরু করে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের নানা কোর্স অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

   

আরও দেখুনঃ কলকাতার ফ্ল্যাট থেকে গ্রেফতার প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন গুহ

চুক্তির আওতায় যে গুরুত্বপূর্ণ কোর্সগুলো চালু হবে সেগুলো হল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ও ডিজিটাল ফরেনসিক, ডার্ক ওয়েব ইন্টেলিজেন্স ও ট্র্যাকিং, এআই-চালিত পুলিশিং ও ওএসইনটি (ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স), ফরেনসিক সায়েন্স ও বৈজ্ঞানিক তদন্ত, কাউন্টার টেররিজম ও ইন্টারনাল সিকিউরিটি, বর্ডার ইন্টেলিজেন্স ও কোস্টাল সিকিউরিটি, পূর্ব ভারতে অপরাধের ট্রেন্ড অ্যানালিসিস, অ্যান্টি-হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ও সংগঠিত অপরাধ দমন, ড্রোন পুলিশিং ও এআই-ভিত্তিক সার্ভেইল্যান্স, পুলিশ লিডারশিপ ও মিড-ক্যারিয়ার ট্রেনিং এবং ক্যানাইন ট্রেনিং ও ডগ ব্রিডিং এক্সেলেন্স সেন্টার।

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বর্তমান সময়ে অপরাধের ধরন পুরোপুরি বদলে গেছে। সাইবার অপরাধ, ড্রোনের মাধ্যমে চোরাচালান, মানব পাচার, ডার্ক ওয়েবে অপরাধীদের নেটওয়ার্ক এসব মোকাবিলা করতে পুলিশকে প্রযুক্তিগতভাবে অনেক এগিয়ে যেতে হবে।

আরআরইউ-এর সঙ্গে এই অংশীদারিত্ব সেই লক্ষ্য পূরণে বড় ভূমিকা রাখবে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রথম পর্যায়ে অফিসারদের ব্যাচ পাঠানো হবে গুজরাটের আরআরইউ ক্যাম্পাসে। পরবর্তীকালে রাজ্যের মধ্যেই ট্রেনিং সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। বিশেষ করে সাইবার সেল, ফরেনসিক ল্যাব ও ড্রোন ইউনিটকে আরও শক্তিশালী করার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।