সায়ন্তিকার নামে ফেক অ্যাকাউন্ট! বরানগরে তুঙ্গে সায়ন্তিকা-সজল তরজা

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে ক্রমশ রাজনৈতিক পারদ চড়ছে বরানগরে। প্রতিদিন নিয়ম করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা লেগেই রয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়…

Sayantika Banerjee Fake Account

কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে ক্রমশ রাজনৈতিক পারদ চড়ছে বরানগরে। প্রতিদিন নিয়ম করে শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক তরজা লেগেই রয়েছে। তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের লড়াইয়ে রীতিমতো তপ্ত বরানগরের মাটি। আর এই ধারাবাহিক উত্তেজনার মাঝেই এবার বিজেপির বিরুদ্ধে মারাত্মক সাইবার চক্রান্তের অভিযোগ তুললেন তৃণমূল বিধায়ক সায়ন্তিকা।

ফেক অ্যাকাউন্টের ফাঁদ!

সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করেছেন তৃণমূল প্রার্থী। সায়ন্তিকার সরাসরি অভিযোগ, বিজেপির আইটি সেল তাঁদের তথাকথিত ‘অসভ্যতামির ধারা’ অব্যাহত রেখে তাঁর নামে ফেসবুকে একটি ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলেছে।

   

তৃণমূল প্রার্থীর দাবি, ওই ফেক প্রোফাইল থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দলীয় কর্মীদের ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো হচ্ছে। কেউ সেই রিকোয়েস্ট অ্যাকসেপ্ট করলেই তাঁর সঙ্গে চ্যাট করে পরিবারের বিষয়ে নানা ব্যক্তিগত তথ্য ও প্রশ্ন হাতড়ানোর চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির।

‘গো হারান হারবে জেনে নোংরামি করছে বিজেপি’

এই সাইবার-ফাঁদ থেকে দলীয় কর্মীদের সতর্ক করে সায়ন্তিকা স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, ফেসবুকে তাঁর নামে একটি মাত্রই অফিসিয়াল পেজ রয়েছে। ব্লু-টিক (Blue Tick) দেওয়া ওই পেজটিতে প্রায় ৭ মিলিয়ন ফলোয়ার রয়েছে। এর বাইরে তাঁর কোনও ব্যক্তিগত প্রোফাইল নেই।

তিনি জানান, তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পেজটি মূলত তাঁর টিম পরিচালনা করে, সেখান থেকে ব্যক্তিগতভাবে কাউকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো হয় না।

এছাড়াও দলীয় কর্মসূচির আপডেটের জন্য ‘AITC বরানগর’ নামে আরও একটি পেজ রয়েছে। এই দুটি ছাড়া অন্য কোনও প্রোফাইলের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই।

বিজেপিকে কড়া ভাষায় নিশানা করে সায়ন্তিকা বলেন, “অসভ্য, বর্বর বিজেপি জানে তারা গো হারান হারবে। তাই এই সমস্ত নোংরামি করছে। ওরা নোংরামি করে যাক, আমরা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার করে যাব।”

বরানগরে সায়ন্তিকা বনাম সজল

ভোট ঘোষণার পর থেকেই বরানগর কেন্দ্রে জোরকদমে প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। আর প্রথম দিন থেকেই সায়ন্তিকা ও সজলের মধ্যে রাজনৈতিক সংঘাতের একাধিক ঘটনা প্রকাশ্যে আসছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের উপনির্বাচনে এই বরানগর কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন সায়ন্তিকা। এবারও দলের টিকিট পেয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ময়দানে নেমেছেন তিনি। অন্যদিকে, জয়ের বিষয়ে সমান আত্মবিশ্বাসী বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষও।