SSC Scam: TMC বিধায়ক মানিককে টানা ৭ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

19
Manik Bhattacharya

শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় সোমবার চার্জশিট জমা করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ed)৷ সেই চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে প্রাক্তন শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি ও তৃণমূল কংগ্রেসের নাকাশিপাড়ার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের (Manik Bhattacharya) নাম৷ দুর্নীতির একাধিক কথা উল্লেখ করতে গিয়ে ইডি মানিক ভট্টাচার্যের একাধিক দুর্নীতির কথা তুলে ধরেছে। সেই মোতাবেক আজ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতিকে ৭ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডির আধিকারিকরা৷

ইডি সূত্রে খবর, মুলত নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় মানিক ভট্টাচার্যের ভূমিকা কী ছিল সেইসঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কী যোগ ছিল টাকার বিনিময়ে নিয়োগের কথা ইডি উল্লেখ করেছে, তা কীভাবে হত, সবটাই জানতে চান ইডির আধিকারিকরা৷ যদিও এদিন দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নে মুখ খোলেননি তৃণমূল বিধায়ক৷

ইডির তরফে যে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে, তাতে একাধিক তথ্য হাতে পাওয়া গেছে ৷ ইডি সূত্রে খবর, নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে একাধিকবার মানিক ভট্টাচার্যের সঙ্গে দেখা করে পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ইডির প্রশ্নের জবাবে পার্থ জানিয়েছেন, মানিক প্রাইমারি বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন, তাই তার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি।

একইসঙ্গে মানিকের গতিবিধি নিয়ে পার্থকে অবগত করেছেন এক ব্যক্তি৷ পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ফোন থেকেই সেই তথ্য পেয়েছে ইডি। সেই ব্যক্তির কথায়, মানিক ভট্টাচার্য যাতা ভাবে টাকা নিচ্ছে। কোভিডের সময়ে কলেজ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ছাত্রদের কাছ থেকে প্রাইভেটে বেড প্রতি ৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। নদিয়াতে প্রাইমারি টেট ইন্টারভিউ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু মানিক ভট্টাচার্য চেয়ারম্য়ানকে মার্কস ছাড়া ব্ল্যাঙ্ক ডকুমেন্ট দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। আবার টাকা নিয়ে করবে। আবার কেস হবে৷

অন্যদিকে, মানিকের কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে সিবিআই। বুধবার আদালতের কাছে টেট নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করেছে সিবিআই। সিবিআইয়ের রিপোর্ট নিয়ে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জনিয়েছেন, এই রিপোর্টে তিনি বিস্মিত। প্রকাশ্যে আসলে তা সাধারণ মানুষকে শিহরিত করবে।