সুন্দরবনের ৫ হাজার মহিলা পেল অন্নপূর্ণা

সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে সুন্দরবন লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকেও চালু হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna bhandar) প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা। এই দিন প্রায় ৫ ...

By Suparna Parui

Published:

Follow Us
nearly-5000-rural-women-in-hingalganj-get-monetary-support-via-annapurna-program

সরকারি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে সুন্দরবন লাগোয়া উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকেও চালু হল অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna bhandar) প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা। এই দিন প্রায় ৫ হাজার মহিলা উপভোক্তার হাতে প্রকল্পের অর্থ পৌঁছে দেওয়া হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মোট ৫১০০ জন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা জমা হয়েছে, যাতে স্বচ্ছতা (Annapurna bhandar) ও দ্রুত সুবিধা পৌঁছনো নিশ্চিত করা যায়।

এই উপলক্ষে হিঙ্গলগঞ্জে একটি আনুষ্ঠানিক(Annapurna bhandar) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক আধিকারিকরা। অনুষ্ঠানে হিঙ্গলগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক রেখা পাত্র প্রতীকীভাবে কিছু উপভোক্তার হাতে ৩ হাজার টাকার চেক তুলে দেন। যদিও তিনি স্পষ্ট করে জানান, এটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতা; প্রকৃত অর্থ সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়েছে সরকারি নিয়ম মেনে।

   

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রেখা পাত্র বলেন, অন্নপূর্ণা যোজনায় যাঁরা নাম নথিভুক্ত করেছিলেন, তাঁদের প্রত্যেককেই ধাপে ধাপে সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, নতুন সরকার গঠনের মাত্র ২৪ দিনের মধ্যেই প্রকৃত উপভোক্তাদের হাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “আমরা ভোটের আগে মানুষের কাছে যে অঙ্গীকার করেছি, তা পালন করব। জনগণের স্বার্থেই এই প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।”

অন্যদিকে, প্রশাসনের তরফে জানানো হয় যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্প মূলত সাধারণ পরিবারের মহিলাদের আর্থিক সহায়তা ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চালু করা হয়েছে। বিশেষ করে সুন্দরবন অঞ্চলের মতো প্রত্যন্ত এলাকায়, যেখানে অনেক পরিবার এখনও অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে রয়েছে, সেখানে এই প্রকল্প একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। হিঙ্গলগঞ্জের বিডিও দেবদাস গাঙ্গুলি জানান, ব্লকের মোট ৫১০০ জন উপভোক্তাকে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে এবং তাঁদের প্রত্যেকের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি অর্থ পাঠানো সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, (Annapurna bhandar) প্রশাসনের লক্ষ্য হল কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি উপভোক্তাদের কাছে সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়া।

এদিকে বসিরহাট টাউন হলেও অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মহকুমাশাসক জেসলিন কৌর, পুলিশ সুপার অলকনন্দা ভাওয়ালসহ একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিক। এই অনুষ্ঠানে মোট ১০০ জন উপভোক্তার হাতে প্রকল্পের শংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে বসিরহাট পুর এলাকার প্রায় ২৭০০ জন উপভোক্তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রথম মাসের অর্থ পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়

Suparna Parui

হাতেখড়ি চ্যানেলে। খবরের গন্ধ শনাক্ত করার কৌশল শেখা সেখান থেকেই। তারপর ৬ বছর ধরে বিনোদন রাজনীতির খবরের ব্যবচ্ছেদ করে চলেছি। খবর শুধু পেশা নয়, একমাত্র নেশাও বটে।কাজের পাশাপাশি সিনেমা দেখতে, গান শুনতে, বেড়াতে যেতে খুব ভালোলাগে। তাই সময় সুযোগ পেলেই বেরিয়ে পড়ি নতুন অ্যাডভেঞ্চারের উদ্দেশ্যে।

Follow on Google