কলকাতা: ব্যারাকপুরের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য। (Naushad Alam)এবার তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার রাজ চক্রবপ্রতি ঘনিষ্ট কাউন্সিলার নৌশাদ আলম। পুলিশ সূত্রের জানা গিয়েছে গ্রেফতার হওয়ার ভয়ে কাশ্মীরে পালিয়েছিলেন তিনি। শেষমেশ হাওড়া স্টেশন থেকে তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে ব্যারাকপুর পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর নৌশাদ আলমকে। তিনি ব্যারাকপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ঠ বলেই রাজনৈতিক মহলে পরিচিত। টিটাগড় থানার পুলিশের দীর্ঘ তদন্তের পর এই গ্রেফতারি ঘিরে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর থেকেই নৌশাদ আলমের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন কাজ, ব্যবসা এবং নির্মাণ সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে তোলাবাজি চলছিল। অভিযোগকারীদের দাবি, নানা অজুহাতে সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হত। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা আদালতে এখনও প্রমাণিত হয়নি, তবুও অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে টিটাগড় থানার পুলিশ।
আরও দেখুনঃ গ্রামীণ কর্মসংস্থানে বড় চমক দিলীপের!১২৫ দিনের গ্যারান্টিতে চালু হল VB-G RAM G প্রকল্প
তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে পেরে নৌশাদ আলম রাজ্যের বাইরে চলে যান বলে দাবি পুলিশের। তদন্তকারীদের বক্তব্য, তিনি কাশ্মীরে আশ্রয় নিয়েছিলেন এবং কিছুদিন সেখানে অবস্থান করেন। এরপর গোপন সূত্রে খবর আসে যে তিনি পশ্চিমবঙ্গে ফিরছেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে নজরদারি শুরু করে পুলিশ। অবশেষে হাওড়া স্টেশনে পৌঁছানোর পর তাঁকে আটক করা হয়।
পরে জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তোলাবাজির অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয় নৌশাদ আলমকে। গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ব্যারাকপুর ও টিটাগড় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ঘটনা শুধু একটি অপরাধমূলক মামলাই নয়, বরং স্থানীয় রাজনীতির ভবিষ্যতের উপরও এর প্রভাব পড়তে পারে।




















