কলকাতা: মুর্শিদাবাদে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে চলছে কড়া অভিযান । (Murshidabad)একের পর এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করছে পুলিশ। গত দু’সপ্তাহে ২৫ জনকে আটক করা হয়েছে এবং বর্তমানে লালগোলার হোল্ডিং সেন্টারে ৩২ জনকে রাখা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এই জেলায় অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে প্রশাসনের এই তৎপরতা স্থানীয় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে, আবার কেউ কেউ এটাকে রাজনৈতিক অভিযান বলেও দাবি করছেন।
🚨 ILLEGAL INFILTRATION CRACKDOWN
Bangladeshi nationals are being picked up one after another in Murshidabad.
25 have been arrested in the last two weeks.
-> 32 currently lodged at the Lalgola holding centre 💥 pic.twitter.com/HacmRzKSf4— The Analyzer (News Updates🗞️) (@Indian_Analyzer) July 10, 2026
মুর্শিদাবাদের লালগোলা, ভগবানগোলা, সামশেরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় পুলিশ ও বিএসএফ যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে রেলস্টেশন, বাজার এলাকা ও গ্রামে তল্লাশি চালিয়ে সন্দেহভাজনদের আটক করা হচ্ছে। সম্প্রতি ভগবানগোলা রেলস্টেশন থেকে নয়জন বাংলাদেশিকে আটক করার ঘটনা বেশ আলোড়ন তুলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা কাজের সন্ধানে বা অন্য উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে এসেছিলেন।
আরও দেখুনঃ UCC বিল পর্যালোচনায় তৈরী ৯ জনের কমিটি! কে কে স্থান পেলেন
অনেকের কাছে ভারতীয় পরিচয়পত্র জাল করে রাখার অভিযোগও উঠেছে।লালগোলায় সদ্য চালু হওয়া হোল্ডিং সেন্টারটি এখন এই অভিযানের কেন্দ্রবিন্দু। ‘পদ্মা ভবন’ নামের একটি ভবনে তৃতীয় তলায় এই সেন্টার গড়ে তোলা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ৩২ জনকে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা অত্যন্ত কড়া।
আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তাঁদের পরিচয় যাচাই, কীভাবে সীমান্ত পেরোলেন, কারা সাহায্য করল সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অনেককে ডিপোর্টেশনের প্রক্রিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে বলে সূত্র জানিয়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে এই অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছেন। কিছু মানুষ আশঙ্কা প্রকাশ করছেন যে, এই অভিযানে নিরীহ বাংলাদেশি শ্রমিক বা আত্মীয়স্বজন যাঁরা বৈধভাবে এসেছেন, তাঁরাও হয়রানির শিকার হতে পারেন।
আরও দেখুনঃ বহরমপুরে গঙ্গা ভাঙ্গন রোধে কেন্দ্রের কাছে ৩,৬০০ কোটি টাকার প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে মুর্শিদাবাদে অনুপ্রবেশের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকটসহ নানা কারণে মানুষ ঝুঁকি নিয়ে সীমান্ত পেরোচ্ছেন। কিছু দালাল চক্র সক্রিয়ভাবে এই অনুপ্রবেশে সাহায্য করছে বলে অভিযোগ। পুলিশ এই দালালদেরও খুঁজছে। বিএসএফের সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
আরও দেখুনঃ ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি: কয়লা পাচারে লাগাম, অভিযানে উদ্ধার টন টন ‘কালো সোনা’





