মোহনবাগান ছাড়লেন কুণাল! হোয়াটসঅ্যাপে ইস্তফা পাঠিয়ে ‘X’ হ্যান্ডেলে আবেগঘন পোস্ট

কলকাতা: সবুজ-মেরুন শিবিরের অন্দরে এবার বড়সড় ধামাকা। হঠাৎ করেই মোহনবাগান (Mohun Bagan) ক্লাবের সহসভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। ...

By Moumita Biswas

Published:

Follow Us
kunal-ghosh-reacts-yuva-bharati-messi-incident

কলকাতা: সবুজ-মেরুন শিবিরের অন্দরে এবার বড়সড় ধামাকা। হঠাৎ করেই মোহনবাগান (Mohun Bagan) ক্লাবের সহসভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা তথা বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সোমবার বিকেলে নিজের অফিশিয়াল ‘X’ (টুইটার) হ্যান্ডেলে ইস্তফাপত্র পোস্ট করে ময়দান কাঁপানো এই সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। (Kunal Ghosh Mohun Bagan Resignation)

২৫ মে বিকেলে যখন রাজ্য রাজনীতি কালীঘাটের নানা জল্পনায় মশগুল, ঠিক তখনই ময়দানে ছড়াল তীব্র চাঞ্চল্য। মোহনবাগান ক্লাবের সহসভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কুণাল ঘোষ। ক্লাব সভাপতি দেবাশিস দত্তকে পাঠানো ইস্তফাপত্রটি সমাজমাধ্যমে আসতেই সবুজ-মেরুন ভক্তদের মধ্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তবে কুণাল স্পষ্ট জানিয়েছেন, এর পিছনে কোনও রাজনৈতিক চাপ বা ক্লাবের অভ্যন্তরীণ কোন্দল নেই, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত কারণেই এই সিদ্ধান্ত।

   

ইস্তফাপত্রে নিজের গভীর আবেগের কথা তুলে ধরে কুণাল লিখেছেন, “জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই আমি মোহনবাগান।” ছোটবেলায় গ্যালারিতে বসে খেলা দেখা থেকে শুরু করে ক্লাবের নির্বাসনের দুর্দিনে সমর্থকদের আন্দোলনে শামিল হওয়ার স্মৃতিও তিনি রোমন্থন করেন। দু’দফায় এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের সহসভাপতি হতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছেন কুণাল। তাঁর আমলেই ক্লাবে ‘স্পোর্টস লাইব্রেরি’র সূচনা হয়েছিল।

চিঠির পাশাপাশি কুণাল দুটি ছবি শেয়ার করেছেন, একটি ১৯৮৫ সালের মোহনবাগান মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে তাঁর তরুণ বয়সের ছবি, অন্যটি ২০২৫ সালে স্কটল্যান্ডে তোলা। কুণাল জানান, ২৫ মে পাঠানো হোয়াটসঅ্যাপ বার্তাকেই যেন তাঁর চূড়ান্ত ইস্তফা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। পদ ছাড়লেও আজীবন তিনি ক্লাবের একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে পাশে থাকবেন। সভাপতি দেবাশিস দত্ত ও সচিব সৃঞ্জয় বসুর নেতৃত্বে ক্লাব আরও এগিয়ে যাক, এটাই তাঁর কামনা। এখন দেখার, ক্লাব এই ইস্তফা গ্রহণ করে নাকি তাঁকে পদে ফেরানোর চেষ্টা চালায়।

Moumita Biswas

দীর্ঘদিন ধরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত। হাতেখড়ি হয়েছিল ‘একদিন’ সংবাদপত্র থেকে। দেশ ও রাজ্য রাজনীতির পাশাপাশি নানা বিষয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা করেন।