কলকাতা: সল্টলেকের এ ই (AE) ব্লকের একটি বাড়ি থেকে ষাটোর্ধ্ব এক দম্পতির রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল। বৃহস্পতিবার সকালে সল্টলেক সেক্টর ওয়ানের ‘মহাদেব নিবাস’ নামের একটি বাড়ি থেকে সজলকুমার কুণ্ডু (৬৪) ও তাঁর স্ত্রী রঞ্জনা কুণ্ডুর (৬১) নিথর দেহ উদ্ধার করেছে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। ঘর থেকে একটি পোকা মারার বিষের বোতল উদ্ধার হওয়ায় ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
কীভাবে প্রকাশ্যে এল ঘটনা?
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই দম্পতির ছেলে সিদ্ধার্থ কুণ্ডু ঘটনার সময় বাড়িতে ছিলেন না। সকালে বারবার ফোন করেও বাবা-মাকে না পেয়ে তিনি পাশের বাড়ির এক পরিচিতকে খোঁজ নিতে বলেন। সেই ব্যক্তি এসে দেখেন বাড়ির প্রধান গেটে বাইরে থেকে তালা ঝুলছে এবং একাধিকবার কলিং বেল বাজালেও ভেতর থেকে কোনো সাড়া মিলছে না।
এরপর ছেলে সিদ্ধার্থ নিজেই বাড়ি ফিরে অন্য একটি চাবি দিয়ে গেট খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। শোওয়ার ঘরে ঢুকেই তিনি দেখতে পান, খাটের একপাশে পড়ে রয়েছে রঞ্জনা দেবীর দেহ এবং সজলবাবুর দেহটি অর্ধেক বিছানায় ও পা ঝুলন্ত অবস্থায় মাটিতে রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় বিধাননগর উত্তর থানায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
তদন্তে পুলিশ ও প্রতিবেশীদের দাবি
প্রতিবেশীদের একাংশের দাবি, রঞ্জনা দেবীর অতীতে ক্যান্সার থাকলেও চিকিৎসার পর তিনি সুস্থই ছিলেন। তবে প্রাথমিক তদন্তে শোওয়ার ঘর থেকে একটি বিষের বোতল মেলায় পুলিশ অনুমান করছে, দম্পতি হয়তো বিষ খেড়েই আত্মহত্যা করেছেন। যদিও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে এখনই নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে চাইছে না তদন্তকারীরা। পুলিশি জেরার মুখে পড়েছেন দম্পতির ছেলেও। ঠিক কী কারণে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটল, পারিবারিক কোনো অশান্তি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ।
আসছে ‘মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য বিমা যোজনা’, কাদের জন্য প্রযোজ্য এই নতুন কার্ড?
অনুব্রত ঘনিষ্ট বালি মাফিয়া টুলুর গ্রেফতারে ফের জিরো টলারেন্সের বার্তা পুলিশমন্ত্রী শুভেন্দুর




