বাতিল ঈদের ছুটির বিজ্ঞপ্তির জেরে শোকজ আধিকারিককে

কলকাতা পুরসভার শিক্ষা বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তি ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, কলকাতা পুরসভা পরিচালিত হিন্দি মাধ্যম স্কুলগুলিতে এবছর ইদের ছুটি থাকবে…

I can also give 5–7 punchy alternative English versions if you want headlines with more flair or urgency. Do you want me to do that?

কলকাতা পুরসভার শিক্ষা বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তি ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, কলকাতা পুরসভা পরিচালিত হিন্দি মাধ্যম স্কুলগুলিতে এবছর ইদের ছুটি থাকবে দুই দিন, কিন্তু পরিবর্তে বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি বাতিল করা হবে। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই সমালোচনার ঝড় ওঠে, আর অবশেষে পুরসভা বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।

বুধবার কলকাতা পুরসভার শিক্ষা বিভাগের পক্ষ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়, যেখানে উল্লেখ ছিল যে ৩১ মার্চ ও ১ এপ্রিল কলকাতা পুরসভা পরিচালিত হিন্দি মাধ্যম স্কুলগুলিতে ইদের জন্য ছুটি থাকবে। তবে সেই ছুটির বিনিময়ে ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা পুজোর ছুটি বাতিল করা হবে। এই সিদ্ধান্ত সামনে আসতেই বিভিন্ন মহলে সমালোচনা শুরু হয় এবং কলকাতা পুরসভার সিদ্ধান্তের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

   

বিতর্ক শুরু হতেই কলকাতা পুরসভার শিক্ষা বিভাগের মেয়র পারিষদ সন্দীপন সাহা সাফ জানিয়ে দেন যে, তিনি এবং পুর কমিশনার এই বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। তিনি বলেন, “আমরা জানতাম না এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। পুর কমিশনারও এ বিষয়ে কিছু জানতেন না। এটি বেআইনি এবং কারও সঙ্গে আলোচনা না করেই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়েছে।” তিনি আরও জানান যে, বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করার জন্য যে আধিকারিক দায়ী, তাঁর বিরুদ্ধে কড়া বিভাগীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সন্দীপন সাহা বলেন, “এভাবে নিজের সিদ্ধান্তে কেউ বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারেন না। এটি শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা। সংশ্লিষ্ট আধিকারিককে কৈফিয়ত দিতে হবে, কেন তিনি এমন করলেন এবং এর পেছনে কোনো উদ্দেশ্য ছিল কি না।”

এই ঘটনার পর কলকাতা পুরসভা দ্রুত বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল করে এবং জানিয়ে দেয়, পূর্বনির্ধারিত ছুটির তালিকাই বহাল থাকবে। তবে, এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বিরোধীরা এই ঘটনাকে প্রশাসনিক গাফিলতি হিসেবে তুলে ধরছেন, এবং কেউ কেউ একে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত বলে অভিহিত করছেন। কলকাতা পুরসভা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য অভ্যন্তরীণ পর্যালোচনা করা হবে এবং শিক্ষা বিভাগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ করা হবে।