কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে আবগারি সংক্রান্ত কেলেঙ্কারির অভিযোগ নিয়ে রাজ্যজুড়ে তীব্র আলোচনা চলছে। (Bijon Patra)এই প্রেক্ষিতে রাজ্য লিকার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন পাত্র স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, খুচরো বিক্রেতাদের (রিটেলার) সঙ্গে এই অনিয়মের কোনও যোগ নেই। তিনি বলেছেন, যদি কোনও অনিয়ম হয়ে থাকে তবে তা বোতলজাতকারক সংস্থা বা উৎপাদকদের স্তরে হতে পারে।
#WATCH | Kolkata, West Bengal: On an alleged liquor excise scam in the state, Secretary of State Liquor Association, Bijan Patra, says, “This doesn’t apply to the retailer. If such things happen, they would happen to bottlers or manufacturers. But we have absolutely no… pic.twitter.com/d4NPRtj1ql
— ANI (@ANI) June 7, 2026
বিজন পাত্র আজ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেন, “এই অভিযোগ খুচরো বিক্রেতাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। যদি এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটে থাকে, তা বোতলজাতকারক বা ম্যানুফ্যাকচারারদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। আমাদের এতে একেবারেই কোনও যোগ নেই।” তিনি আরও জানান, সরকারি বিভিন্ন স্কিম চালু হলে খুচরো বিক্রেতারা কোম্পানিগুলির কাছে ভালো ডিল বা সুবিধা চাইলে অনেক সময় কোম্পানিগুলি তা প্রত্যাখ্যান করে।
আরও দেখুনঃ দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে সেনাবাহিনীর নতুন শক্তি হেক্সাকপ্টার ড্রোন
বিজন পাত্র বলেন, “স্কিম চালু হলে আমরা কোম্পানির কাছে ভালো অফার চাই। কিন্তু তারা বলে, এতে তাদের লাভের মার্জিন ছাড়িয়ে যাবে, তাই সম্ভব নয়।” তিনি স্বীকার করেছেন যে, কিছু বিষয় রয়েছে যা খোলাখুলি বলা যায় না। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আমরা অবশ্যই কিছু পাইনি। আমাদের লাভের পরিমাণ ইতিমধ্যেই অনেক কমে গিয়েছে।” বিজন পাত্র আরও বলেন, “এই ধরনের ঘটনা আদৌ ঘটে কি না, সে বিষয়ে আমার কাছে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য নেই।”
রাজ্যে মদের ব্যবসা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা অভিযোগ উঠছে। আবগারি দফতরের নিয়মকানুন, লাইসেন্স বিতরণ, স্কিম এবং কর ফাঁকির অভিযোগে বারবার বিতর্কে জড়িয়েছে এই সেক্টর। বিজন পাত্রের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে, খুচরো বিক্রেতারা নিজেদের এই কেলেঙ্কারির বাইরে রাখতে চাইছেন। তাঁরা মূলত দোকান চালিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পণ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজ করেন বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্রের খবর, সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্যের আবগারি দফতরে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কয়েকটি সংস্থার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়া, কর ফাঁকি এবং অস্বচ্ছ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে খুচরো বিক্রেতাদের ব্যবসায়ও প্রভাব পড়ছে। বিজন পাত্র জানিয়েছেন, তাঁদের লাভের হার আগের তুলনায় অনেকটাই কমে গিয়েছে।
ফলে ছোট-বড় অনেক দোকানই আর্থিক সংকটে পড়েছে।রাজনৈতিক মহলে এই বক্তব্য নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতারা বলছেন, এই কেলেঙ্কারি তৃণমূল আমলের দুর্নীতির আরেক উদাহরণ। অন্যদিকে তৃণমূলের নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করে বলছেন, বিরোধীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এসব অভিযোগ তুলছে।




















