কলকাতা: বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে কোমর বেঁধে নামল প্রশাসন। নির্বাচন কমিশনের কড়া নির্দেশে গত ৩৬ ঘণ্টায় রাজ্যজুড়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৫৪৩ জনকে। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট সুনিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের এই মেগা অভিযানে সবথেকে বেশি ধরপাকড় হয়েছে পূর্ব বর্ধমানে। তবে এই বিশাল ধরপাকড়ের মাঝেও কিন্তু রোখা যায়নি রাজনৈতিক রক্তপাত।
জেলায় জেলায় ধরপাকড়ের খতিয়ান
পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতারির সংখ্যা ১০৯৫। সবচেয়ে বেশি ধরপাকড় হয়েছে সেই জেলাগুলোতে, যেখানে অশান্তির আশঙ্কা প্রবল। তালিকায় চোখ রাখা যাক-
পূর্ব বর্ধমান: ৪৭৯ জন (সবচেয়ে বেশি)
উত্তর ২৪ পরগনা: ৩১৯ জন
দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ২৪৬ জন
উত্তর কলকাতা: ১০৯ জন
হুগলি: ৪৯ জন
নদিয়া ও হাওড়া: ৩২ জন করে (তালিকার শেষে)
উল্লেখ্য, পূর্ব বর্ধমানে গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূল কাউন্সিলর নাড়ি ভগত-কেও।
ধরপাকড় চললেও অশান্ত জগদ্দল ও আরামবাগ
এত নজরদারি ও গ্রেফতারির পরেও অশান্তি পিছু ছাড়ছে না। রবিবার মাঝরাতে ভাটপাড়ার জগদ্দল থানা এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। তৃণমূল ও বিজেপির সংঘর্ষে বোমাবাজি ও ব্যাপক পাথর বৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, সোমবার সকালে খাস আরামবাগে সাংসদ মিতালি বাগের গাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। জখম সাংসদকে হাসপাতালেও ভর্তি করতে হয়েছে।
মমতাকে আক্রমণ অমিত শাহের
বাংলার এই পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানান, পরিস্থিতি তাঁর নজরে আছে। শাহের দাবি, “বাংলায় এবার হিংসা আগের চেয়ে কম হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিংসা চান বলেই এসব হচ্ছে। তবে অভিযুক্তরা কেউ রেহাই পাবে না, কঠোর শাস্তি হবে।”
আরও পড়ুন- হুগলির মাটিতে যোগীর প্রচার, তারকেশ্বরে পুজো দিয়ে শুরু সফর




















