কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার (election survey)দিনেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের DA-র বকেয়া ঘোষণা রাজ্য রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। সরকারি কর্মীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের এই পদক্ষেপকে তৃণমূল ‘জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতি পালন’ বলে দাবি করছে, কিন্তু বিরোধীরা বলছে এটা ভোটের আগে ‘লোভ দেখানো’। আর ঠিক এই সময়ে মাত্রিজ-আইএএনএস-এর একটা নতুন সমীক্ষা প্রকাশিত হয়েছে, যা দেখাচ্ছে নির্বাচনের সম্ভাব্য ফল।
২৯৪ আসনের বিধানসভায় তৃণমূলকে এগিয়ে রাখা হয়েছে, কিন্তু বিজেপি+ জোটও শক্তিশালী চ্যালেঞ্জার।সমীক্ষা অনুসারে, আসন প্রজেকশন তৃণমূল: ১৫৫-১৭০ আসন, বিজেপি+: ১০০-১১৫ আসন, অন্যান্য: ৫-৭ আসন। ভোট শেয়ার তৃণমূল: ৪৩-৪৫%, বিজেপি+: ৪১-৪৩%, অন্যান্য: ১৩-১৫%। এই ফলাফল দেখিয়েছে যে, ২০২১-এর মতো তৃণমূলের স্পষ্ট ব্যবধান নেই, বরং ভোট শেয়ারে মাত্র ২-৪% পার্থক্য।
আরও দেখুনঃ কোন দফায় কোথায় ভোট গ্রহণ বঙ্গে ?
বিজেপি+ জোট যদি ১০০-১১৫ আসন পায়, তাহলে তারা বিরোধী দল হিসেবে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। তৃণমূলের জন্য ১৫৫-১৭০ আসন মানে সরকার গঠন করতে পারবে, কিন্তু ২০২১-এর ২১৩-এর তুলনায় অনেক কম। তৃণমূলের পক্ষে ভোট শেয়ারে সামান্য এগিয়ে থাকা মানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা এখনও ধরে রেখেছে, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে এবং সংখ্যালঘু ভোটে। কিন্তু বিজেপি+ এর ৪১-৪৩% ভোট শেয়ার দেখিয়েছে যে, তারা উত্তরবঙ্গ, পশ্চিমাঞ্চল এবং শহুরে এলাকায় শক্তি বাড়িয়েছে।
অন্যান্য (বাম-কংগ্রেস জোট) ১৩-১৫% ভোট পেলেও আসনে খুব কম, যা অ্যান্টি-টিএমসি ভোট ভাগ করে দিতে পারে।রাজ্যের রাজনৈতিক নেতারা এই সমীক্ষা নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তৃণমূলের নেতারা বলছেন, এটা প্রমাণ করে জনগণ তৃণমূলের সঙ্গে আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের DA ঘোষণা, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কন্যাশ্রী-র মতো স্কিমগুলো কর্মী-মহিলা-যুবকদের মধ্যে সমর্থন বাড়িয়েছে। ফিরহাদ হাকিমের মত নেতা বলেছেন, বিজেপি ২০ আসন পেলেই অনেক। এই সমীক্ষায়ও বিজেপি+ ১০০+ পাচ্ছে, কিন্তু তৃণমূলের জয় নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে।




















