কলকাতা: কলকাতার রাজনৈতিক মহলে আজ উত্তেজনা তুঙ্গে। নির্বাচন কমিশন (West Bengal election) আজই পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধানসভা নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করতে চলেছে। দিল্লিতে বিকেল ৪টায় প্রেস কনফারেন্সে চিফ ইলেকশন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ পুরো কমিশন এই ঘোষণা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪ আসনের নির্বাচন এপ্রিল মাসে একাধিক দফায় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও ২০২১-এর মতো আট দফা না হয়ে কম দফায় হতে পারে। এই ঘোষণার আগেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কলকাতা মেয়র ফিরহাদ হাকিম একটা শক্তিশালী বার্তা দিলেন। তিনি বলেন ‘নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবেই, কিন্তু আমরা তাতে ভয় পাই না। আমাদের সংগঠন এবং জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ সারা বছর চলে।
আরও দেখুনঃ ফিল্ম সুপারস্টারকে নয়া অফারের চমক দিয়ে রাজ্য জয়ের নীলনকশা বিজেপির
জনগণ টিএমসি-র সঙ্গে আছে। বিজেপি যদি ২০টা আসনও পায়, তাহলেই তারা খুশি হয়ে যাবে।’ফিরহাদ হাকিমের এই মন্তব্য কলকাতায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসেছে। তিনি বলেছেন, টিএমসি-র শক্তি তার সংগঠনে এবং মানুষের সঙ্গে গভীর সম্পর্কে। ‘আমরা সারা বছর মানুষের পাশে থাকি, শুধু নির্বাচনের সময় নয়। তাই তারিখ ঘোষণা হলে আমাদের কোনো চিন্তা নেই।’
বিজেপিকে খোঁচা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘বিজেপি যদি ২০টা আসন পেয়ে যায়, তাহলে তাদের জন্য সেটাই অনেক বড় জয়। আমরা জানি জনগণ কার সঙ্গে আছে।’ এই কথায় টিএমসি-র আত্মবিশ্বাস স্পষ্ট। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দল ২০২১-এ ২১৩টা আসন জিতে রেকর্ড গড়েছিল। এবারও চতুর্থবার ক্ষমতায় ফেরার লক্ষ্যে টিএমসি পুরোদমে প্রস্তুত বলেই মনে করছেন তৃণমূল নেতৃত্ব।
এদিকে, নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা নিয়ে রাজ্যজুড়ে আলোচনা চলছে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সাধারণত একাধিক দফায় হয়, কারণ রাজ্যের ভৌগোলিক বিস্তার এবং নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কমিশন সিদ্ধান্ত নেয়। এবারও তিন দফায় ভোট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্য রাজ্যগুলো অসম, কেরলা, তামিলনাড়ু এবং পুডুচেরিতে এক বা দু’দফায় ভোট হতে পারে। ভোটের ফল ঘোষণা মে মাসের প্রথম সপ্তাহে হওয়ার আশা। ঘোষণার পরই মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট (এমসিসি) কার্যকর হবে, যা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারকে নিয়ন্ত্রণ করবে।




















