কলকাতা: বাংলার বিধানসভা নির্বাচন নিয়ে চাপানউতোর তুঙ্গে। (Assembly Election)বিরোধী থেকে শাসক সবাই শেষমুহূর্তের প্রস্তুতির সেরে নিয়ে লড়াইয়ে নামতে কোমর বাঁধছে। গতকাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বঙ্গ সফরে এসে ব্রিগেড থেকে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়িয়েছেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বাংলায় এসে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার অস্পষ্ট বার্তা দিয়েছিলেন। কবে হবে ভোট ঘোষণা, ক দফায় ভোট না এখনও নিশ্চিত না হলেও সূত্রের খবরে জানা যাচ্ছে আজই নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে বসবে বিশেষ সাংবাদিক বৈঠক।
সেখানেই ঘোষণা হবে বাংলার ভোটের দিনক্ষণ এবং ঠিক কত দফায় ভোট হবে। বাংলায় এসে সংবাদ মাধ্যমের সামনে জ্ঞানেশ মন্তব্য করেছিলেন বাংলায় আইনশৃঙ্খলার কোনও সমস্যা নেই যাতে নির্বাচন ব্যাহত হতে পারে। তিনি আরও বলেছিলেন সর্বোচ্চ ৩ দফায় নির্বাচন করা হতে পারে। আবার কখনও শোনা যাচ্ছিল ১ দফাতেই সমাধা হবে বঙ্গের ভোট যজ্ঞ। তবে নির্বাচনের উত্তাপ যে পশ্চিমবঙ্গে ছড়িয়ে পড়েছে তা বলাই বাহুল্য।
আরও দেখুন: শাসক সুবিধে পেতে বিক্রি মেরুদন্ড! আবুলে আপত্তি তসলিমার
একদিকে ছুটেছে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার অশ্বমেধ ঘোড়া আবার আরেক দিকে শাসক শিবির SIR র হয়রানি এবং এই ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে ঘটা মৃত্যুকে হাতিয়ার করে বিরোধীদের মোকাবিলায় নেমেছিল। তবে আপাতত পরিবর্তন যাত্রা শেষ। শেষ হয়েছে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের SIR বিরোধী ধর্ণাও। যদিও কমিশন সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছিল আগামী ১৬ তারিখ নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে নির্বাচনের দিনক্ষণ, কিন্তু সমস্ত স্পেকুলেশন ভেঙে দিয়ে কমিশন সূত্র জানিয়েছে রবির বারবেলাতেই বাংলায় বেজে উঠতে পারে ভোটের বাদ্দি।
তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এবারের নির্বাচন বাংলায় আলাদাই তাৎপর্যপূর্ণ। বিজেপির রাজ্যসভাপতি শমীক ভট্টাচার্য গতকালই ব্রিগেডের ময়দান থেকে বিবৃতি দিয়েছিলেন এবারের নির্বাচনে অন্য কোনও দলের বিশেষ গুরুত্ব নেই। শুধু মানুষ ঠিক করবে তৃণমূল থাকবে না তৃণমূল সরকারের বিসর্জন হবে। এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগাম বার্তা দিয়ে গিয়েছেন তৃণমূলকে। তিনি সতর্ক করেছেন ক্ষমতা হারালেই জেল যাত্রা হতে পারে শাসক দলের নেতা নেত্রীদের। তবে মানুষের রায় কোন দিকে ঝুঁকবে তা সময়ই বলবে।




















