বিট্টু দত্ত, কলকাতা ডেস্ক: বিশ্বকাপে (FIFA World Cup) জয়ের ধারা অব্যাহত থাকল আর্জেন্টিনার। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারতীয় সময় সোমবার রাত দশটা বেজে তিরিশ মিনিট নাগাদ আর্লিংটনের ডালাস স্টেডিয়ামে গ্ৰুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে নেমেছিল গতবারের বিশ্বজয়ীরা সম্পূর্ণ সময়ের শেষে ২-০ গোলের ব্যবধানে এই ম্যাচে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির ছেলেরা। দলের হয়ে জোড়া গোল পান মেসি। যা নিঃসন্দেহে বাড়তি পাওনা সমর্থকদের কাছে। তবে শুধুমাত্র জয় পাওয়াই নয়। বিশ্বকাপের মঞ্চে গোল করার এক অভূতপূর্ব রেকর্ড যুক্ত হয় তাঁর নামের পাশে। যদিও শুরুটা খুব একটা ভালো ছিল না।
Also Read English | Lionel Messi Creates New World Cup Record as Argentina Defeat Austria
আক্রমণাত্মক ফুটবলের দরুন প্রথম থেকেই যথেষ্ট ব্যাকফুটে ছিল অস্ট্রিয়া দল। প্রথম কোয়ার্টারের মধ্যেই প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের ফাউল থেকে পেনাল্টি আদায় করে নিয়েছিল আর্জেন্টিনা। যদিও সেটি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। সুযোগ নষ্ট করেন এলএমটেন। তবে পেনাল্টি মিস হলেও বদলায়নি তাঁর ভাগ্য। অন্যদিকে, নিজেদের ম্যাচে ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল অস্ট্রিয়া।গ্ৰেগোরিচ ও ওয়ানারের সক্রিয়তা দেখা গেলেও গোলের মুখ খোলা যায়নি। তবে ৩৭ মিনিটের মাথায় প্রথম গোল তুলে নেয় তিনবারের বিশ্বজয়ীরা। সতীর্থ ফুটবলার ফ্যাকুন্ডো মেদিনার অ্যাসিস্ট থেকে জোড়ালো ফিনিশে প্রথম গোল করেন মেসি।
প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক চেষ্টা করে ও বলটিকে বিপদ মুক্ত করতে পারেননি। যারফলে ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। তারপর থেকেই যথেষ্ট রক্ষণাত্মক ভঙ্গিতে খেলতে দেখা গিয়েছিল অস্ট্রিয়া দলকে। প্রথমার্ধের শেষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকে আর্জেন্টিনা। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফের সেই ছন্দ। তবে চতুর্থ কোয়ার্টারে দলকে ম্যাচে ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ এসে গিয়েছিল অস্ট্রিয়ার কাছে। কিন্তু সেটা কাজে লাগাতে পারেননি প্রতিপক্ষের আপফ্রন্টের ফুটবলাররা।
Also Read | বৈঠকে বাদ মমতা! অভিষেককে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত ঋতব্রতর তৃণমূলের
মাঝে ৫০ মিনিটের মাথায় ফের গোল তুলে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছিল আর্জেন্টিনার। তবে অফসাইডের ফাঁদে আটকে গিয়েছিলেন মেসি। তারপর ৭৩ মিনিটের মাথায় তাঁর কর্নার থেকে হেড মিস করেছিলেন নিকো গঞ্জালেস। নাহলে অনায়াসেই বাড়ত ব্যবধান। যদিও পরবর্তীতে অসুবিধা হয়নি। নির্ধারিত নব্বই মিনিটের পর অতিরিক্ত সময় প্রতি আক্রমণে উঠে এসে অভূতপূর্ব ফিনিশ করে যান বিশ্বফুটবলের অন্যতম এই নক্ষত্র। যারফলে নক আউটের রাস্তা প্রশস্ত করে ফেলল আর্জেন্টিনা।


