সবচেয়ে খারাপ অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলা করছে শ্রীলঙ্কা। কয়েক দশকের মধ্যে এমন সংকটে পড়েনি দেশ। এই পরিস্থিতিতে সরকার পরিচালনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলছে। পরিস্থিতি আয়ত্তে রাখতে পুলিশ শুক্রবার ভোরে শ্রীলঙ্কার প্রধান শহর কলম্বোর বেশ কয়েকটি অংশে রাতারাতি কারফিউ জারি করেছে।
রয়টার্সের তরফে জানানো হয়েছে, কয়েকশ বিক্ষোভকারী বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কলম্বোয় প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসের ব্যক্তিগত বাসভবনের কাছে জড়ো হয়েছিল। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করলে তারা রণে ভঙ্গ দেয়। পুলিশের একজন সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট আমাল এদিরিমানে বলেছেন, দেশটির বাণিজ্যিক রাজধানী কলম্বোর চারটি পুলিশ বিভাগে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
এদিন গোটাবায়ার বাসভবনের দিকে যাওয়ার রাস্তায় একটি বাসে আগুন দেওয় বিক্ষোভকারীরা। তার আগে কয়েকজন মোটরসাইকেল নিয়ে একটি দেওয়াল ভেঙে দেয়। পুলিশকে ইট ছুঁড়ে মারে তারা।
প্রসঙ্গত ২২ মিলিয়ন মানুষের এই দ্বীপ দিনে ১৩ ঘন্টা পর্যন্ত ব্ল্যাকআউটের সম্মুখীন হচ্ছে। কারণ সরকারের কাছে জ্বালানী আমদানির জন্য পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা নেই। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) আগামী দিনে সম্ভাব্য ঋণ কর্মসূচি নিয়ে শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা শুরু করবে। বৃহস্পতিবার একজন মুখপাত্র বলেছেন, সরকার সংকট থেকে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজছে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য সরকার রাস্তার বাতি বন্ধ করে দিচ্ছে। বিদ্যুৎ মন্ত্রী পবিত্র ওয়ানিয়ারাচ্চি সাংবাদিকদের বলেছেন, ডিজেলের ক্রমাগত ঘাটতি আরও বেশি বিদ্যুতের ঘাটতি তৈরি করেছে। মূল শেয়ার বাজারও ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছে। বিদ্যুতের ঘাটতি শ্রীলঙ্কানদের সমস্যা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় জিনিসের ঘাটতি এবং রকেট মূল্যের সাথে মোকাবিলা করছে তারা।




















