FIFA World Cup: চেক প্রজাতন্ত্রকে রুখে নকআউটের আশা জিইয়ে রাখল দক্ষিণ আফ্রিকা

তেবোহো মোকোয়েনার পেনাল্টি গোলে চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ১-১ ড্র দক্ষিণ আফ্রিকার। শেষ ম্যাচের আগে শেষ ষোলোর আশা এখনও অটুট।

south-africa-hold-czech-republic-world-cup-2026-knockout-hopes-alive

আটলান্টা, যুক্তরাষ্ট্র: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ (FIFA World Cup) নকআউট পর্বে ওঠার স্বপ্ন এখনও জীবিত দক্ষিণ আফ্রিকার। গ্রুপ ‘এ’-এর গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নিজেদের টিকিয়ে রাখল বাফানা বাফানা।

ম্যাচের শুরুতেই চমকে দেয় চেক প্রজাতন্ত্র। খেলা শুরু হওয়ার মাত্র ৫ মিনিট ৮ সেকেন্ডের মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দেন মিখাল সাদিলেক। চলতি বিশ্বকাপের দ্রুততম গোল হিসেবেও এটি নতুন রেকর্ড গড়ে। গোল হজমের পর দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচে ফেরার জন্য একাধিক আক্রমণ শানালেও দীর্ঘ সময় সমতা ফেরাতে ব্যর্থ হয়।

   

অবশেষে ম্যাচের শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে গোল করে দক্ষিণ আফ্রিকাকে সমতায় ফেরান অধিনায়ক তেবোহো মোকোয়েনা। তাঁর সেই গুরুত্বপূর্ণ গোলেই এক পয়েন্ট নিশ্চিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা।

এই ড্রয়ের ফলে গ্রুপ ‘এ’-তে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং চেক প্রজাতন্ত্র উভয়েরই পয়েন্ট দাঁড়াল ১। তারা বর্তমানে সহ-আয়োজক মেক্সিকো এবং দক্ষিণ কোরিয়ার থেকে দুই পয়েন্ট পিছিয়ে রয়েছে। ফলে শেষ ম্যাচে জয় ছাড়া দুই দলেরই সামনে কার্যত আর কোনও বিকল্প নেই।

গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিপক্ষ দক্ষিণ কোরিয়া। অন্যদিকে চেক প্রজাতন্ত্রকে শক্তিশালী মেক্সিকোর মুখোমুখি হতে হবে ঐতিহাসিক এস্তাদিও অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে।

ম্যাচ শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান কোচ হুগো ব্রুস দলের পারফরম্যান্সে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি আমার দলের জন্য গর্বিত। এটাই দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবল। আমরা আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে ভালোবাসি, সুযোগ তৈরি করি এবং লড়াই করি। কিছু ভুল হয়েছে ঠিকই, কিন্তু ছেলেদের পারফরম্যান্স অসাধারণ ছিল।”

চেক দলের শারীরিক সক্ষমতার প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, “ওরা খুবই শক্তিশালী এবং লম্বা ফুটবলারে ভরপুর দল। সেই চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে আমরা ভালো লড়াই করেছি। অবশ্যই জয় না পাওয়াটা কিছুটা হতাশাজনক। তবে এখন আমাদের লক্ষ্য দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে জয়। একই মানসিকতা নিয়ে খেলতে পারলে সেটা সম্ভব।”

ফলে গ্রুপ ‘এ’-এর শেষ রাউন্ডে দক্ষিণ আফ্রিকা ও চেক প্রজাতন্ত্রের সামনে এখন ‘করো অথবা মরো’ পরিস্থিতি। নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করতে দুই দলকেই নিজেদের শেষ ম্যাচে সেরাটা উজাড় করে দিতে হবে।